আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কাবাডি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা সাউথ কোরিয়াকে হারিয়ে শুরু। এরপর মালয়েশিয়া, তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়া এবং চতুর্থ ম্যাচে পোল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন রেইডার আরদুজ্জামান মুন্সি।
মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম খেলা শুরু হয় সকাল ১০ টায়। সেমিফাইনাল নিশ্চিতে পোলিশদের উপর প্রথম থেকেই চড়াও হয় আরুদুজ্জামান মুন্সিরা। ম্যাচ শেষে ৭৯-২৮ পয়েন্টে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।
যথারীতি প্রথম রেইডে পয়েন্ট আদায় করে নেন অধিনায়ক আরদুজ্জামান। এদিনও প্রথম চার মিনিটে এক লোনা পেয়ে যায় বাংলাদেশ। দুই মিনিট পর আবারও এক লোনা পায় লাল-সবুজের দল। এদিন প্রথম থেকে দেখা যায়নি গত দুই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় মিজানুর রহমানকে।
র্যাঙ্কিংয়ে ভালো অবস্থানে থাকলেও সেই অনুযায়ী খেলতে পারেনি পোলিশরা। প্রথমার্ধের খেলায় তিন লোনাসহ ৩৮-১৫ পয়েন্ট নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। তবে অসংখ্য বোনাস পয়েন্ট আদায় করে নেয় ইউরোপের দেশটি।
বিরতির পর প্রথম আক্রমণেই পয়েন্ট পায় বাংলাদেশ। আরও এক লোনা আসে স্বাগতিকদের ঝুলিতে। তবে প্রথম আক্রমণে এসে বোনাস পয়েন্ট পায় পোল্যান্ড। ম্যাচের ২৮, ৩৪ ও ৩৮ মিনিটে আরও তিন লোনা পায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত আসরে বাংলাদেশ সর্বাধিক পয়েন্ট ও লোনাসহ ৭৯-২৮ ব্যবধানে জিতে যায় ।
লাল-সবুজের দল গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে ৩১ মে প্রতিবেশী দেশ নেপালের বিপক্ষে। একই ভেন্যুতে খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা ৬ টায়। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।
গ্রুপপর্বের তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে পাত্তা দেয়নি বাংলাদেশ। দ্বীপদেশটি লাল-সবুজদের বিপক্ষে হেরেছিল ৫৯-১৯ পয়েন্টের ব্যবধানে। এ ম্যাচেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন লেফট রেইডার মিজানুর রহমান।
দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সফরকারী মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ছয় লোনাসহ ৭৩-২২ পয়েন্টের ব্যবধানে জিতেছিল। ওই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন বাংলাদেশের রাইট রেইডার আল আমিন।
এর আগে চতুর্থ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথমবারের মত অংশগ্রহণ করা সাউথ কোরিয়াকে ৬৭-২২ পয়েন্টে হারিয়ে শিরোপা রক্ষার মিশনে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা হয়েছিলেন বাংলাদেশের লেফট রেইডার মিজানুর রহমান।
বঙ্গবন্ধু কাপ কাবাডির জমকালো চতুর্থ আসরে অংশ নিয়েছে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়া তিন মহাদেশের ১২ দল। শুরুতে দু-গ্রুপে ভাগ হয়ে কোর্টে খেলা গড়াবে। দু-গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে, শেষে ফাইনাল। ৩ জুন শিরোপার মঞ্চ দিয়ে আসরের পর্দা নামবে।
‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে নেপাল, পোল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সাউথ কোরিয়া। ‘বি’ গ্রুপে থাকছে ইরাক, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, উগান্ডা ও জাপান।







