এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বাংলাদেশের বাঁচামরার লড়াইয়ে বিকালে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। সেমিতে খেলার স্বপ্নপূরণের পথ খোলা রাখতে নাজমুল হোসেন শান্তদের জয়ের বিকল্প নেই। কিউইরা জিতলে ‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারতের সঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিতে উঠে যাবে। ভারত সেখানে সেমিতে দেড়-পা দিয়েই রেখেছে। তবে বাংলাদেশের উপর বিশেষ নজর থাকবে একই গ্রুপের স্বাগতিক পাকিস্তানের।
পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় মাঠে গড়াবে মহারণ।
‘এ’ গ্রুপ থেকে চার দলের অনেক সমীকরণই নির্ভর করছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের উপর। এই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলে চার দলের জন্যই সেমিফাইনালের পথ থাকবে উন্মুক্ত। নিউজিল্যান্ডকে টাইগাররা হারাতে পারলে ২৭ তারিখ বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ম্যাচটি হয়ে উঠবে এই গ্রুপের সেমির আগের সেমিফাইনাল। আর কিউইরা জিতলে সব উত্তেজনা শেষ।
এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড জিতলে ভারতের সমান পয়েন্ট হবে ৪ করে। তখন শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ অথবা পাকিস্তান যে-ই জিতুক, টুর্নামেন্টে জয়ী দলের হবে ২ পয়েন্ট, অন্যটি শূন্য পয়েন্ট, আর দুদলই আসর থেকে বিদায় নেবে ওটুকু ঝুলিতে ভরেই। কিউইরা বাংলাদেশের সঙ্গে জিতলে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটি তাই শুধুই নিয়ম রক্ষার হবে। আজ পাকিস্তানকেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশের দিকে। টাইগাররা জয় পেলে সেমিফাইনালের আশা টিকে থাকবে তাদেরও।
টাইগাররা কিউইদের হারাতে পারলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের লক্ষ্য থাকবে ২৭ তারিখ বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারানো। এরপর নিউজিল্যান্ডকে পরের ম্যাচে ভারত হারালেই তিনটি দলের পয়েন্ট হবে সমান ২ করে। রানরেটের হিসেবে পাকিস্তানের তখন সম্ভাবনা থাকবে সেমির। একই সমীকরণে সেমির জন্য বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের সামনেও থাকবে সুযোগ আর রানরেটের হিসাব।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ যদি শেষ দুই ম্যাচ জেতে এবং ভারতকে যদি শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড হারায়, তাহলে তৈরি হবে আরেক জটিল সমীকরণ। তখন বাংলাদেশ, ভারত ও নিউজিল্যান্ড- তিন দলের পয়েন্টই হবে ৪ করে। তখন নেট রানরেটে এগিয়ে থাকা দুদল পাবে সেমিফাইনালের টিকিট।








