এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বাংলাদেশকে লড়াই করার পূঁজি এনে দিয়েছিলেন জাকের আলি, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। ১৬২ রানের সংগ্রহ পেয়েও হার এড়াতে পারেনি টিম টাইগার্স। স্বাগতিকদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারল লিটন কুমার দাসের দল।
শারজায় টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৬২ রান তোলে টিম টাইগার্স। জবাবে নেমে ৫ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় আরব আমিরাত।
স্বাগতিক বোলাদের তোপে ব্যাটিং বিপর্যয় দেখেছে বাংলাদেশ। টপঅর্ডারে কেবল তানজিদ তামিমই উল্লেখযোগ্য রান পেয়েছেন। চারটি করে চার ও ছক্কায় ১৮ বলে ৪০ রান করেন এই ওপেনার। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
৮৪ রানে ৮ উইকেট হারায় টিম টাইগার্স। এরপর দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন জাকের আলি। হাসান মাহমুদকে নিয়ে দলীয় ১২৮ রানে পৌঁছে আউট হন। একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩৪ বলে ৪১ রান করেন। এরপর হাসান ও শরিফুল মিলে সংগ্রহ পৌঁছান ১৬২ রানে। হাসান তিন ছক্কায় ১৫ বলে ২৬ রানে এবং শরিফুল একটি করে চার ও ছক্কায় ৭ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
আমিরাতের হায়দার আলি চার ওভারে ৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন। মতিউল্লাহ খান ও সগীর খান নেন দুটি করে উইকেট।
জবাবে নেমে শুরুতেই ওয়াসিমের উইকেট হারায় আমিরাত। দলীয় ১৪ রানে আমিরাত অধিনায়ক ফিরে যান ৯ রান করে। পরে যোহাইব ও আলিশান মিলে যোগ করেন ৪৪ রান। দলীয় ৫৮ রানে যোহাইব ফিরে যান ২৯ রান করে। দ্রুতই ফেরেন রাহুল চোপড়া। ১৩ রান করেন।
৭৯ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর আলিশান ও আসিফ খানের অপ্রতিরোধ্য ৮৭ রানের জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় আমিরাত। আলিশান ৪৭ বলে ৬৮ রানে এবং আসিফ ২৬ বলে ৪১ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল, তানজিম ও রিশাদ একটি করে উইকেট নেন।








