ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভে জড়িতদের ‘দাঙ্গাকারী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আল জাজিরার খবরে বলা হয়, সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মহসেনি এজেই বলেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ঘিরে বিচার বিভাগের কার্যক্রম এখন প্রকৃত অর্থেই শুরু হয়েছে। যারা দয়া পাওয়ার যোগ্য নন, তাদের ছাড় দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও সংসদ স্পিকার হাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গে শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে খুনি ও সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তবে একই বৈঠকে বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু ব্যক্তি ইসলামি করুণার আওতায় আসতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরানে এখনও ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ শিথিল করা হতে পারে, তবে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি।








