বিনোদন

উদ্বোধন হলো বাংলা একাডেমি ফন্ট

উদ্বোধন হলো বাংলা একাডেমি ফন্ট

বাংলা ভাষার মুদ্রণ ও ডিজিটাল ব্যবহার আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করতে উদ্বোধন করা হয়েছে বাংলা একাডেমি ফন্ট। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফন্টটির নমুনা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

‘তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প’-এর পক্ষে প্রকল্প পরিচালক মাহবুব করিম, ভাষাপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মামুন অর রশীদ ও প্রকাশনা বিশেষজ্ঞ শহীদুল ইসলাম ফন্টটির নমুনা হস্তান্তর করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলা ভাষাকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটারে আরও সমৃদ্ধ ও ব্যবহারবান্ধব করতেই তৈরি করা হয়েছে ‘বাংলা একাডেমি’ টাইপফেইস। মুদ্রণ ও ডিজিটাল—দুই মাধ্যমেই বাংলা ও ইংরেজি ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি এ ফন্ট পুস্তক মুদ্রণের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজেও ব্যবহার করা যাবে।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, “বাংলা ভাষাকে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পরীক্ষামূলকভাবে বাংলা একাডেমির বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে।”

আগামী দিনে ফন্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ফন্টটি উন্নয়ন করা হয়েছে। ওয়েব, মোবাইল ও কম্পিউটারে বাংলার ব্যবহার সহজ করা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলা ভাষাকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়াই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

নতুন টাইপফেইসটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একই ফন্টে বাংলা ও ইংরেজি সমান আকৃতিতে ব্যবহারের সুবিধা। প্রচলিত অনেক বাংলা ফন্টে বাংলা ও ইংরেজি বর্ণের আকার এবং লাইন স্পেসিংয়ে পার্থক্য থাকায় একসঙ্গে কাজ করার সময় আলাদা ফন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ‘বাংলা একাডেমি’ টাইপফেইসে এ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, বাংলা ভাষার মুদ্রণ ও ডিজিটাল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের কিছু কারিগরি সীমাবদ্ধতা দূর করতে নতুন এ টাইপফেইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিষয়:ফন্ট বাংলা একাডেমি মহাপরিচালক

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…