পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি দেশে ফেরেন।
সফরের শুরুতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় দেশটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবিরে শ্রদ্ধা জানান সেনাপ্রধান।
সফরকালে তিনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওলু, তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সেসের কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল এবং ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনচ ইয়েতকিনের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার (এসএসবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সেস সদরদপ্তর পরিদর্শনের সময় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে অংশীদারত্ব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করে।
সফরের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে রয়েছে এএসআইএসগার্ড, টিইউএসএএস, এমকেই , সারসিলমাজ, এসটিএম, রকেটসান, আসেলসান এবং বায়কার।
পরিদর্শনের সময় তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা নেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও মতবিনিময় করেন।
সংশ্লিষ্টদের আশা, সেনাপ্রধানের এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।







