চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘অ্যাকুয়াম্যান: এন্ড দ্য লস্ট কিংডম’ বয়কটের ডাক

অ্যাম্বার হার্ড ‘অ্যাকুয়াম্যান এন্ড দ্য লস্ট কিংডম’-এর কাজে ফেরার পর সিনেমাটি বয়কটের ডাক

ইন্টারনেটের ‘মোস্ট হেটেড’ তারকাদের একজন এখন অ্যাম্বার হার্ড। জনি ডেপ মামলায় হেরে যাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তোলা হয়েছিল ‘অ্যাকুয়াম্যান এন্ড দ্য লস্ট কিংডম’ ছবি থেকে অ্যাম্বার হার্ডকে বাদ দেয়ার জন্য।

কিন্তু কোনো কিছুই থামিয়ে রাখতে পারেনি অ্যাম্বার হার্ডকে। তাই এই অভিনেত্রী ‘অ্যাকুয়াম্যান এন্ড দ্য লস্ট কিংডম’-এর কাজে ফেরার পর সিনেমাটি বয়কটের ডাক দেয়া হয়েছে ইন্টারনেটে।

সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ডের বিরুদ্ধে করা ৫০ মিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলায় হেরে যাওয়ার পর জনি ডেপকে ‘ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস’ ফ্রাঞ্চাইজি থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য করেছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স। ‘ফ্যান্টাস্টিক বিস্টস’-এর ফ্রাঞ্চাইজি থেকে জনি ডেপকে সরে যেতে বাধ্য করার পর একই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘অ্যাকুয়াম্যান’ থেকেও অ্যাম্বার হার্ডকে সরিয়ে দেয়ার জন্য শুরু হয়েছিল ক্যাম্পেইন। কিন্তু তা করেনি ওয়ার্নার ব্রাদার্স। আর তাই চটেছেন নেটিজেনরা।

‘অ্যাকুয়াম্যান টু’-তে অ্যাম্বার থাকছেন, এই তথ্য জেমস ওয়ান নিশ্চিত করার পর ছবিটি বয়কটের ডাক দেয়া হয়েছে। এখন এই ছবির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন প্রযোজকরা।

করোনার কারণে হলিউডে সিনেমার বাজারে এমনিতেই মন্দা চলছে। তার ওপর এমন নেতিবাচক প্রচারণার প্রভাব ছবিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রযোজকরা।

বিজ্ঞাপন

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘এত প্রতিবাদের পরেই কীভাবে ওয়ার্নার ব্রাদার্স এরকম অ্যাবিউসিভ মানুষকে সিনেমায় নেয়?’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘অ্যাম্বার হার্ডের পারিশ্রমিকের অর্থ যেন সরাসরি জনি ডেপের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তার আরও ৭ মিলিয়নের প্রয়োজন নেই। বয়কট করুন।’

এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এত সমালোচনার পরেও ওয়ার্নার ব্রাদার্স কীভাবে অ্যাম্বার হার্ডকে সিনেমায় নেয়? আশা করছি সিনেমাটি দর্শক বয়কট করবে।’

হলিউড তারকা জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড ২০১৫ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেও ২০১৬ সালে জনি ডেপের বিরুদ্ধে শারীরিক ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনে আদালতে ডিভোর্সের আবেদন করেন অ্যাম্বার হার্ড। স্ত্রীর সেই অভিযোগ অস্বীকার করলেও প্রায় ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন জনি ডেপ।

সেই সময়ে আদালতের কাছে দুইজন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, ভবিষ্যতে তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে জনসম্মুখে আর কোনো ধরনের আলোচনা করবেন না তারা।

কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্টের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন স্বামী জনি ডেপের বিরুদ্ধে আবারও শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন তার সাবেক স্ত্রী অ্যাম্বার হার্ড। এ কারণেই পরবর্তীতে ব্যক্তিগত আইনজীবীর সহায়তায় মানহানির মামলা করেছিলেন জনি ডেপ। ৫০ মিলিয়ন ডলারের এই মানহানি মামলায় হেরে ক্যারিয়ার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এই তারকা। -কইমই

বিজ্ঞাপন