প্রথমে পেস, পরে স্পিন আক্রমণে আফগানিস্তানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। কোনো সফরকারী ব্যাটারকে ক্রিজে ঠিকমতো দাঁড়াতেই দেননি শরিফুল-তাসকিনের পর সাকিব-মিরাজ জুটি। উইকেট তো যাচ্ছেই, সঙ্গে উঠছে না রানও। বিপদেই আছে আফগানিস্তান।
উইকেট তোলার জুটিতে যোগ দিয়ে ২২তম ওভারে স্পিনার তাইজুল ইসলাম বোল্ড করেন আফগান অধিনায়ককে। হাসমাতুল্লাহ শাহিদী করে যান ৫৪ বলে ২২ রান। যেটি সফরকারীদের ষষ্ঠ ব্যাটারের আউট।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৩ ওভারে ৬ উইকেটে ৫৬ রান। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ১৪ বলে ৭ রান এবং আব্দুর রহমান ৭ বলে ২ রানে অপরাজিত আছেন।
১৫তম ওভারে এসে স্পিনার মিরাজের বলে একটি বাউন্ডারি মারেন নাজিবুল্লাহ। দলীয় সংগ্রহ ৩০ ছাড়ায় আফগানিস্তানের। পরের ওভারেই বাঁহাতি নাজিবুল্লাহকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। রিভিউ নিয়ে শেষ রক্ষা পাননি বাঁহাতি ব্যাটার, করে যান ২২ বলে ১০ রান।
১৬.৩ ওভারে রান আউটের সুযোগ তৈরি হয়, সে যাত্রায় রক্ষা পান ওমরজাই।
শুরুতে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইব্রাহিম জাদরানকে শরিফুল ফেরান তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে। ৬ বলে ১ রান করে ফিরেছেন তিনি। গত ম্যাচে ২৫৬ রানের রেকর্ড গড়া উদ্বোধনী জুটি এবার ভাঙে ৩ রানে।
একই ওভারের পঞ্চম বলে আবারও শরিফুলের আঘাত, এবার ফেরেন তিনে নামা রহমত শাহ। টপ এজে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে, ৪ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন ডানহাতি ব্যাটার।
তাসকিনের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে চেয়েছিলেন গুরবাজ। ব্যাটে-বলে ঠিকভাবে না হওয়ায় বল চলে যায় উইকেটের পেছনে। লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন উইকেটরক্ষক মুশফিক। ৬ রান করা গুরবাজের আউটে ১৪ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় সফরকারী দল। পরে মোহাম্মদ নবী ৯ বল খেলে ১ রানে সাজঘরে ফেরেন শরিফুলের বলে।







