আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে নেই বাংলাদেশ-ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের কেউ। ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দলে নেই নিউজিল্যান্ড ও সাউথ আফ্রিকারও কোনো খেলোয়াড়। অবশ্য গতবছর দলগুলো ওয়ানডে খেলেছেও কম। আবার যে ম্যাচগুলো খেলেছে, সেখানে বর্ষসেরা একাদশে জায়গা পাওয়ার মতো পারফরম্যান্স ছিল না খেলোয়াড়দের।
একাদশে অধিক্য শ্রীলঙ্কান। লঙ্কানদের ৪ জন জায়গা পেয়েছেন। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ৩ জন করে। এশিয়ার বাইরের কোনো দল থেকে একমাত্র প্রতিনিধি ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেরফান রাদারফোর্ড।
বর্ষসেরা দলে যারা
সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান)
পাকিস্তানের টপঅর্ডার ব্যাটার ১০৫.৫৩ স্ট্রাইক রেট ও ৬৪.৩৭ গড়ে ৯ ম্যাচ ৫১৫ রান করেছেন। ৩ সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে এক ফিফটি।
রহমানউল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান)
১১ ম্যাচে ৮৯.৭ স্ট্রাইক রেট ও ৪৮.২ গড়ে ৫৩১ করেছেন আফগান তারকা। ৩ সেঞ্চুরি ও ২ হাফ-সেঞ্চুরি আছে নামের পাশে।
পাথুম নিশাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা)
১২ ম্যাচে ১০৬.৪ স্ট্রাইক রেট ও ৬৩.১ গড়ে ৬৯৪ রান করেছেন লঙ্কান তারকা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসে ওপেনার হিসেবে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ২১০* রানের ইনিংসটি খেলেন বছরজুড়ে ৩ সেঞ্চুরি ও ২টি ফিফটি হাঁকানো ব্যাটার।
কুশল মেন্ডিস (উইকেটরক্ষক, শ্রীলঙ্কা)
১৭ ম্যাচে ৯০.৬ স্ট্রাইক রেট ও ৫৩ গড়ে ৭৪২ রান করেছেন মেন্ডিস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪৩ রানের একটি ইনিংস খেলেছেন। একটি সেঞ্চুরি, ৬টি হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন লঙ্কান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
চারিথ আসালাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা, অধিনায়ক)
বর্ষসেরা ওয়ানডে দলের অধিনায়ক রাখা হয়েছে শ্রীলঙ্কার চারিথ আসালাঙ্কাকে। গতবছর ১৬ ম্যাচ খেলেছেন। ৯৭.১ স্ট্রাইক রেট ও ৫০.২ গড়ে ৬০৫ রান আসে তার ব্যাটে। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে হাফ-সেঞ্চুরি আছে ৪টি। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ১০১ রানের।
শেরফান রাদারফোর্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
বছরজুড়ে ক্যারিবীয়দের হয়ে ৯ ম্যাচ খেলে ৪২৫ রান করেছেন টপঅর্ডার তারকা। স্ট্রাইক রেট ১২০.১ ও গড় ১০৬.২। এক সেঞ্চুরির সঙ্গে চার হাফ-সেঞ্চুরি আছে ২৬ বর্ষী বাঁহাতির।
আজমতুল্লাহ ওমরজাই (আফগানিস্তান)
১২ ম্যাচে ১০৫.৬ স্ট্রাইক রেট ও ৫২.১ গড়ে ৪১৭ রান এসেছে ওমরজাইয়ের ব্যাটে। ১৪৯ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসের পিঠে একটি সেঞ্চুরি, ৩টি হাফ-সেঞ্চুরি এবং ১৭টি উইকেট আছে তারকা অলরাউন্ডারের নামের পাশে।
ভানিডু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)
খেলেছেন ১০ ম্যাচ। শিকার করেছেন ২৬ উইকেট, ১৫.৬ বোলিং গড়ে। ১৯ রানে ৭ উইকেট সেরা বোলিং ফিগার ছিল লঙ্কান অলরাউন্ডারের।
শাহীন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)
৬ ম্যাচে ১৭.৬ বোলিং গড় ১৫ উইকেট শিকার করেছেন পাকিস্তানি পেসার। ৪৭ রানে ৪ উইকেট গতবছর তার সেরা বোলিং।
হারিস রউফ (পাকিস্তান)
গতবছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে তিন ম্যাচে শিকার করেন ১০ উইকেট। সবমিলিয়ে ৮ ম্যাচ নিয়েছেন ১৩ উইকেট। ২২.৪ বোলিং গড়, ৫/২৯ সেরা বোলিং ৩১ বর্ষী পেসারের।
এএম গাজানফার (আফগানিস্তান)
উদীয়মান আফগান তারকা গতবছর খেলেছেন ১১ ম্যাচ। সবমিলিয়ে শিকার করেছেন ২১ উইকেট। ১৩.৫৭ গড়ে ৬/২৬ সেরা বোলিং ১৮ বর্ষী তারকার। নভেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট নিয়ে পঞ্চম সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন এ অফস্পিনার।








