পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে আদানি গ্রুপকে অব্যাহতি

ছবি: সংগৃহীত।
আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা ন্যূনতম পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিল ভারতের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি। এই অব্যাহতির আওতায় রয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড, আদানি পাওয়ার লিমিটেড, আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড এবং আদানি ট্রান্সমিশন লিমিটেড (আদানি এনার্জি সলিউশনস লিমিটেড) এবং এদের পরিচালকরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পাশ হওয়া একটি সেটেলমেন্ট বা নিষ্পত্তি আদেশের মাধ্যমে আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি, ৪টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং আরও ১৩ জন পরিচালক ও কর্মকর্তাকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য জানিয়েছে।
২০২০ সালের জুন ও জুলাই মাসে সেবি-র কাছে আসা কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, আদানি গ্রুপের তালিকাভুক্ত কিছু কোম্পানি ন্যূনতম পাবলিক শেয়ারহোল্ডিং (এমপিএস) সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলেনি।
প্রাথমিক পর্যালোচনার পর, ২০২০ সালের ২৩ অক্টোবর সেবি তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর, নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ (এসসিএন) এবং পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ একটি সম্পূরক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে।
নোটিশগুলোতে ‘সিকিউরিটিজ কন্ট্রাক্টস (রেগুলেশন) রুলস’, তৎকালীন ‘লিস্টিং এগ্রিমেন্ট’ এবং সেবি-র ‘লিস্টিং অবলিগেশনস অ্যান্ড ডিসক্লোজার রিকোয়ারমেন্টস’ প্রবিধানের অধীনে নির্ধারিত এমপিএস সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
এরপর আবেদনকারীরা কোনো তথ্য বা আইনি সিদ্ধান্ত স্বীকার বা অস্বীকার না করেই এই আইনি প্রক্রিয়া সমাপ্ত করার প্রস্তাব দেন।
সোমবার জারি করা আদেশ অনুযায়ী, আবেদনকারীরা মোট ১ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে, সেবি নির্দেশ দেয় যে কারণ দর্শানোর নোটিশ (এসসিএন) এবং সম্পূরক কারণ দর্শানোর নোটিশ থেকে উদ্ভূত আইনি প্রক্রিয়াটি নিষ্পত্তি করা হলো।






