নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে খাল দখল করে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে চরফকিরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি প্রার্থী এবং একই ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. ইউনুস আলী এরশাদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
গতকাল (১৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম নেওয়ার পথে ফেনীতে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভগ্নিপতি মো. জয়নাল আবেদীন আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী আমার থেকে টাকা নিয়ে খালটি ইজারা দেয়। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর খালটি দখল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতা।
তিনি জানান, গত বুধবার বিকেলে মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহজাহান ও বাবরের নির্দেশে স্থানীয় সমীর খাঁন, জাবেদ, ওবায়দুল্যাহ খানসহ ১০-১৫জন দায়ের খালে আমাদের মাছ ধরার জালটি কেটে তাদের জাল বসিয়ে খালটি দখলে নেয়। বৃহস্পতিবার সকালে খাল দখল করে মাছ ধরার বিষয়টি জিজ্ঞাসা করতে গেলে স্থানীয় নেজাম তার ছেলে সুজন ও তারেক, বাবলু রুমনের সাথে আমাদের বাগবিতন্ডা বেঁধে যায়।
তিনি আরও বলেন, একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে নিজাম ডাকাত ও তার লোকজন ইউনুছ আলী এরশাদকে তলপেটে ছুরিকাঘাত করলে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। এছাড়া আরও চারজনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়।
নিহতের ভগ্নিপতি আরও জানান, গুরুতর আহত এরশাদকে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত ৯টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম নেওয়ার পথে ফেনীতে তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







