সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে কক্সবাজারে টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলবর্তী সাগরে পর্যটকবাহী জাহাজের ‘ইঞ্জিন বিকল’ হয়ে আটকা পড়েছে। জাহাজটিতে অন্তত ৭১ জন পর্যটক আছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া উপকূলবর্তী সাগরে জাহাজটি আটকা পড়ে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারি পুলিশ মো. আবুল কালাম।
মো. আবুল কালাম জানান, খবর পেয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় আটকা পড়া পর্যটকদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আটকা পড়া জাহাজটিতে অন্তত ৭১ জন পর্যটক রয়েছেন।
জাহাজটির সংশ্লিষ্টদের বরাতে আবুল কালাম বলেন, সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বিআইডব্লিউটিএ জেটি ঘাট থেকে এমভি গ্রীণ লাইন নামের পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দ্যেশে রওনা দেয়। দুপুরের আগে জাহাজটি সেখানে পৌঁছায়। পরে বিকেল ৪টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেটি ঘাট থেকে জাহাজটি ৭১ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা করে।
ফেরার পথে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া উপকূলবর্তী সাগরে পৌঁছালে আকস্মিক ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এতে জাহাজটি সেখানে আটকা পড়ে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, এসময় জাহাজের ক্রুসহ সংশ্লিষ্টরা ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় কোস্টগার্ড স্টেশনকে অবহিত করে। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পর সোয়া ৮টার দিকে ট্যুরিস্ট পুলিশসহ নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও স্থানীয়দের সহায়তায় পর্যটকদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফের ইউএনও শেখ এহেসান উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ, নৌবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা উপস্থিত আছেন। জাহাজটি যেহেতু একেবারে উপকূলে ভিড়েছে জোয়ারের পানি কমে গেলে তাদের উদ্ধার করা হবে।
আটকা পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার কোন ধরণের ঝুঁকি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটকরা নিরাপদে আছেন। যেকোন ধরণের ঝুঁকি এড়াতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উদ্ধারের পর তাদের কক্সবাজার শহরে পৌঁছাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুইটি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।








