সরকারি কাজে বাধা ও ক্ষতি সাধনের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহেরসহ ৭ জনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ (২৪ জুলাই) বুধবার আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিটিটিসি’র পুলিশ পরিদর্শক এসএম রাইসুল ইসলাম।
রিমান্ডভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- ড্যাবের সাবেক সভাপতি ডা. মো. সালেহ উদ্দিন সাঈদ (৫৯), জামায়াতের শ্যামপুর থানা সেক্রেটারি মো. কামরুল আহসান রিপন (৫০), জামায়াত নেতা আলহাজ মো. মোবারক হোসেন (৭৩), মোহাম্মদ আলী (৪৫) ও মেহেদী হাসান (২২)।
অপর দিকে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এরআগে আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাদের ধানমন্ডি থানার নাশকতার মামলায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২০ জুলাই চলমান কোটা বিরোধী আন্দোলনের ইস্যুকে পুঁজি করে দুষ্কৃতকারীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধানমন্ডি থানা এলাকায় লাঠি সোঠা ও ইট পাটকেলসহ অবস্থান করে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটায়।
আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী সাতমসজিদ রোডস্থ শংকর বাসস্ট্যান্ডে রাস্তার উভয় পাশে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে রাস্তার মাঝখানের আইল্যান্ডের ১৫৫টি লোহার রেলিং ল্যাম্পপোস্ট এবং সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমন করে একটি গাড়ী ভাংচুর ও একটি পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগ করে।
এই ঘটনায় ধানমন্ডি থানার এসআই কামরুল ইসলাম বাদি হয়ে একটি মামলা করেন।







