ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভোট দাঁড়িয়েছে প্রায় পৌনে চার কেটি; যা প্রদত্ত ভোটের ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
ধানের শীষ প্রতীকে লড়াই করে ২৯১ জন এ ভোট পেয়েছেন। ইতোমধ্যে দলটি ২০৯ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।
আর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এ যাবৎ ভোট ও আসনের রেকর্ড গড়েছে; এবার দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে সোয়া দুই কোটির বেশি ভোট, যা ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ৬৮টি আসন পেয়ে দলটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
সংসদ ও গণভোট হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর তিন দিন পর রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভোটের হিসাব প্রকাশ করে।
গেল ৩৫ বছরের ভোটচিত্র
| ধানের শীষ | দাঁড়িপাল্লা | নৌকা | লাঙ্গল/অন্যান্য | ভোট দিয়েছিল | |
| ১৯৯১ | ১,০৫০৭,৫৪৯ ভোট
|
৪১.৩৬,৬৬১ ভোট
|
১,০২,৫৯,৮৬৬ ভোট
|
৪০,৬৩,৫৩৭ ভোট
|
৩,৪৪,৭৭,৮০৩ জন |
| ১৯৯৬ | ১,৪২,৫৫,৯৮৬ ভোট
|
৩৬,৫৩০১৩ ভোট
|
১,৫৮,৮২,৭৯২ ভোট
|
৬৯,৫৪৯৮১ ভোট
|
৪,২৮,৮০,৫৭৬ |
| ২০০১ | ২,২৮,৩৩,৯৭৮ ভোট
|
২৩,৮৫,৩৬১ ভোট
|
২,২৩,৬৫৫১৬ ভোট
|
৪০,৩৮,৪৫৩ ভোট
|
৫,৫৭,৩৬,৬২৫ |
| ২০০৮ | ২,২৭,৫৭,১০১ ভোট
|
৩২,৮৯,৯৬৭ ভোট
|
৩,৩৬,৩৪,৬২৯ ভোট
|
৪৯,২৬,৩৬০ ভোট
|
৭,০৬,৪৮,৪৮৫ |
| ২০১৪ | বর্জন | নিবন্ধন বাতিল | ১,২৩,৫৭,৩৭৪ ভোট (১৪৩ আসনে)
|
১১,৯৯,৭২৭ ভোট
|
১,৭১২৯,৮৫০
(১৫৩ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়) |
| ২০১৮ | ১,১১,১১,৭৩৯ ভোট
|
নিবন্ধন বাতিল | ৬,৩১,৭৬,১১৪ ভোট
|
৪৪,১৮,৯০০ ভোট
|
৮,২২,৫৫,৫৪৪ |
| ২০২৪ | বর্জন | নিবন্ধন বাতিল | ৩,২৫,২৩,৩১৮ ভোট (সম্ভাব্য)
|
১৭,০৫,৮৫৩ ভোট (সম্ভাব্য) | ৪,৯৯,৬৫,৪৬৭ |
| ২০২৬ | প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ | প্রায় ২ কোটি ৩৬ লাখ | ৭ কোটি ৬৭ লাখ সংসদে
গণভোট ৭,৭৬,৯৫,০২৩
|
সংসদ ও গণভোটের হার
ভোটের পর দিন শুক্রবার দলভিত্তিক ফল ও ভোটের হার তুলে ধরে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, সংসদ নির্বাচনের ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ (২৯৭ আসনে)। আর গণভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ( ২৯৯ আসনে)।
৫০টি দল ভোটে অংশ নিলেও ২৯৭ আসনে মাত্র ৭টি দল জয় পেয়েছে।
বিএনপি-জামায়াতের ভোটব্যাংকও বেড়েছে
নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম মনে করেন, বিএনপির ফলটা কাঙ্খিত ছিল। আবার জামায়াতও রেকর্ড আসন পেয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় নিপীড়িত হওয়ায় এবং জনগণের সহানুভূতি পাওয়ায় দুটি দলের ভোট ব্যাংকই বিস্তৃত হয়েছে।
আওয়ামী লীগবিহীন এ নির্বাচনে ভোটের হার ৬০ শতাংশ হলেও তা গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গেল তিন নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিশনের সদস্য আব্দুল আলীম এবার বিএনপি ও জামায়াতের ভোট বাড়ার যুক্তি তুলে ধরে বলেন, “একেক নেতার বিরুদ্ধে কয়েকশ করে মামলা, বিগত সময়ে অত্যাচার-অবিচার, তাতে বিএনপির প্রতি মানুষের সহমর্মিতা বাড়িয়ে দিয়েছিল।
“বিভিন্ন সময়ে দলটি ভাঙার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। প্রবাসে থেকে দল পরিচালনায় (চেয়ারপার্সন অসুস্থ থাকা অবস্থায়) মূল দায়িত্ব তারেক রহমানকে (বর্তমান চেয়ারম্যান) পালন করতে হয়েছে।”
এছাড়া নানা বিষয়ে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন ভূমিকা’ ও নানা চাপ প্রত্যাখ্যান করার মতো বিষয় ভোটাররা ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে বলেও মনে করেন এ বিশ্লেষক।
জামায়াতে ইসলামীর ভোট বাড়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “গেল সরকারের আমলে দলটি নিষিদ্ধ করা হলো, তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হল। এটাও বাংলাদেশের অনেক মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।
“তারও একটা প্রভাব আমরা দেখতে পেলাম এই নির্বাচনে। কারণ জামায়াত ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পেয়েছিল। এবার সেটা ছাড়িয়ে রেকর্ড সংখ্যক (৬৮টি) আসনে তারা বিজয়ী হয়েছে। এখানে দুটো দলই অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছে, কাজেই জনসমর্থন দুই দলেই বেড়েছে।”
সংরক্ষিত নারী আসন ও জুলাই সনদের উচ্চকক্ষ
এবারের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে বিএনপি জিতেছে ২০৯ আসনে; জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন।
জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিশ একটি আসন পেয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপির সঙ্গে থাকা গণঅধিকার পরিষদএকটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি ও গণসংগতি আন্দোলন একটি আসনে জয় পেয়েছে।
জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত ৫০ আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পাবে ৩৬টি, জামায়াত জোট পাবে ১৩টি, আর স্বতন্ত্ররা পাবে একটি।
দ্বিকক্ষ হলে উচ্চকক্ষ গঠন কীভাবে
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় পেয়েছে। জুলাই সনদে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রস্তাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সদস্য সংখ্যা হবে ১০০ জন। এক্ষেত্রে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষে আসন বণ্টন করা হবে।
বর্তমান সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি। সেটি ক্রমান্বয়ে ১০০টিতে উন্নীত করার প্রস্তাবও রয়েছে।
পিআর পদ্ধতিতে আসন বণ্টনে ২৪টি রাজনৈতিক দল একমত হলেও বিএনপিসহ ৭টি রাজনৈতিক দল ও জোটের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত আছে।
তারা বলেছে, নিম্নকক্ষের ভোটের ভিত্তিতে নয়, উচ্চকক্ষ গঠন হবে সংসদ নির্বাচনের আসনের অনুপাতে। বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় এ মুহূর্তে উচ্চকক্ষের প্রয়োজন নেই বলেও ‘নোট অব ডিসেন্টে’ বলা হয়েছে।
জুলাই সনদ অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। তবে কোনো কারণে নিম্নকক্ষ ভেঙে গেলে উচ্চকক্ষ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
দলের প্রার্থীরা কত ভোট পেল
>> লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ১৩ প্রার্থীর (ছাতা) ০.৩৫%
>> বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জেপি) ১০ জন ০.০৪%
>> বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৬৫ জন কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ০.০৮%
>> ধানের শীষ নিয়ে বিএনপির ২৯০ জন পেয়েছেন ৪৯.৯৭%
>> গণতন্ত্রী পার্টির ১ জন (কবুতর) ০.০০%
>> জাতীয় পার্টির ১৯৯ জন লাঙ্গল প্রতীকে ০.৮৯%
>> বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৮ জন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১.৭৬%
>> জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ২৮ জন ০.০৪%
>> জাকের পার্টির ৫ জন গোলাপ প্রতীকে ০.০২%
>> বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ৩৫ জন মই প্রতীকে ০.০৫%
>> বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ২ জন গরুর গাড়ির প্রতীকে ০.১৪%
>> বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৮ জন বটগাছ প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ১৬ জন হারিকেন প্রতীকে ০.০১%
>> ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ২২ জন আম প্রতীকে ০.০১%
>> জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশেল ৪ জন খেজুর গাছ প্রতীকে ০.৪৭%
>> গণফোরামের ২০ জন উদীয়মান সূর্য প্রতীকে ০.০১%
>> গণফ্রন্টের ৫ জন মাছ প্রতীকে ০.০০%
>> বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ১ জন গাভী প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির ৬ জন কাঁঠাল প্রতীকে ০.০০%
>> ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ২০ জন চেয়ার প্রতীকে ০.০৮%
>> বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ২ জন হাতঘড়ি প্রতীকে ০.০০%
>> ইসলামী ঐক্যজোটের ২ জন মিনার প্রতীকে ০.০০%
>> বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ জন রিক্সা প্রতীকে ২.০৯%
>> ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন হাতপাখা প্রতীকে ২.৭০%
>> বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ২৫ জন মোমবাতি প্রতীকে ০.৪৫%
>> জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ১ জন চশমা প্রতীকে ০.০০%
>> বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ৭ জন কোদাল প্রতীকে ০.০৪%
>> খেলাফত মজলিসের ২০ জন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে ০.৭৬%
>> বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) ৪ জন হাত পাঞ্জা প্রতীকে ০.০০%
>> বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) ২০ জন ছড়ি প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) ৮ জন টেলিভিশন প্রতীকে ০.০০%
>> জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) ৮ জন সিংহ প্রতীকে ০.০০%
>> বাংলাদেশ কংগ্রেসের ১৮ জন ডাব প্রতীকে ০.০১%
>> ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের ৪২ জন আপেল প্রতীকে ০.০৩%
>> বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (বাংলাদেশ জাসদ) ১৫ জন মোটরযান প্রতীকে ০.০২%
>> বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) ১৮ জন একতারা প্রতীকে ০.০৪%
>> আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) ৩০ জন ঈগল প্রতীকে ০.২৮%
>> গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ৯৪ জন ট্রাক প্রতীকে ০.৩৩%
>> নাগরিক ঐক্যের ১১ জন কেটলি প্রতীকে ০.০১%
>> গণসংহতি আন্দোলনের ১৭ জন মাথাল প্রতীকে ০.১৪%
>> বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ২ জন ফুলকপি প্রতীকে ০.১৭%
>> বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) ৮ জন রকেট প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ লেবার পার্টির ১৭ জন আনারস প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) ১৪ জন হাতি প্রতীকে ০.০২%
>> জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন শাপলা কলি প্রতীকে ৩.০৫%
>> বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) ৩২ জন কাঁচি প্রতীকে ০.০২%
>> জনতার দলের ২০ জন কলম প্রতীকে ০.০৫%
>> আমজনতার দলের ১৫ জন প্রজাপতি প্রতীকে ০.০১%
>> বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টির (বিইপি) ১ জন দোয়াত কলম প্রতীকে ০.০০% এবং
>> বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ৩ জন বই প্রতীকে ০.০৪% ভোট পেয়েছেন।
ভোটের পরিসংখ্যানে দলগত অবস্থান: ১৯৭৩–২০২৪
|
|
আওয়ামী লীগ |
|
বিএনপি |
|
জাতীয় পার্টি |
জামায়াতে ইসলামী | আসন | |
|
সাল |
ভোট প্রাপ্তির হার |
আসন |
ভোট প্রাপ্তির হার |
আসন |
ভোট প্রাপ্তির হার |
আসন | ভোট প্রাপ্তির হার | |
|
১৯৭৩ |
৭৩.২০% |
২৯৩ |
– |
– |
– |
– |
||
|
১৯৭৯ |
২৬.৮৩% |
৩৯ |
৪১.১৬% |
২০৭ |
– |
|
||
|
১৯৮৬ |
২৬.৮৩% |
৭৬ |
– |
– |
৪২.৪৩% |
১৫৩ |
৪.৬১% | ১০ |
|
১৯৯১ |
৩০.০৮% |
৮৮ |
৩০.৮১% |
১৪০ |
১১.৯২% |
৩৫ |
১২.১৩% | ১৮ |
|
১৯৯৬ |
৩৭.৪৪% |
১৪৬ |
৩৩.৬০% |
১১৬ |
১৬.৪০% |
৩২ |
৮.৬১% | ৩ |
|
২০০১ |
৪০.১৩% |
৬২ |
৪০.৯৭% |
১৯৩ |
৭.২৫% |
১৪ |
৪.২৮% | ১৭ |
|
২০০৮ |
৪৮.০৪% |
২৩০ |
৩২.৫০% |
৩০ |
৭.০৪% |
২৭ |
৪.৭০% | ২ |
|
২০১৪ |
৭২.১৪% |
২৩৪ |
– |
– |
৭% |
৩৪ |
– | – |
|
২০১৮ |
৭৬.৮০% |
২৫৭ |
১৩.৫১% |
৬ |
৫.৩৭% |
২২ |
– | – |
|
২০২৪ |
৬৬% |
২২২ |
– |
– |
৩.৪১% |
১১ |
– | – |
| ২০২৬ | – | ৪৯.৯৭% | ২০৯ | – | ৩১.৭৬% | ৬৮ |
ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর আবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে মঙ্গলবার।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন; বিকালে শপথ হবে মন্ত্রিসভার।
এতদিন নতুন সরকার শপথ নিয়েছে বঙ্গভবনে; রাষ্ট্রপতির কাছে। এবার স্থান বদল করার মাধ্যমে সেই রীতি ভাঙছে।







