জনপদ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে এক পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

গ্যাস বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের ভেতর ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্র ও ধ্বংসাবশেষ. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

গ্যাস বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত নারায়ণগঞ্জের একটি ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্র ও ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আউখাবো বাজার এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লাইনের পাইপ লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারীসহ একই পরিবারের ৫ সদস্য দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ওই ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইনিস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন- হাসুন বানু, তার স্বামী অলি আহমেদ, ছেলে ওমর ফারুক, মেয়ে সাহারা বেগম ও ভাই সোনাউদ্দিন।

দগ্ধদের স্বজন ও পুলিশ জানায়, আহতরা আউখাবো এলাকার ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন। তাদের হাসুন বানু গৃহিণী, তার স্বামী ও ভাই গাউছিয়া বাজারে শুটকি ব্যবসা করেন। তারমেয়ে সাহারা প্রতিবন্ধী এবং ছেলে ওমর ফারুক স্থানীয় অনুপম গার্মেন্টসে চাকরি করেন। রাতে তারা ওই বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফখরুদ্দিন আহামেদ জানান, ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার গ্যাসের পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমাট বেঁধে ছিল, এসময় দেশলাই অথবা কোন কিছু স্পার্ক করে রুমে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। তবে আগুন বেশিদূর ছড়ায়নি, স্থানীয়রা আগুন নির্বাপক করতে সক্ষম হয়।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার পরপরই প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি দেখে মধ্যরাতে শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে ভর্তি করে।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, দগ্ধদের মধ্যে সোনা উদ্দিনের শরীরের ৯৪ শতাংশ, আলি আহমেদের ৫৮ শতাংশ, হাসন বানুর ৪৬ শতাংশ, সাহেরা বেগমের ৩০ শতাংশ ও ওমর ফারুকের শরীরের ১৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধদের মধ্যে ওমর ফারুক ছাড়া বাকি চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বিষয়:গ্যাস বিস্ফোরণ নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…