অন্ধ্রপ্রদেশের ২৯ বছর বয়সী যুবক সংগীত কুমার নিজেকে ঐশ্বরিয়ার সন্তান বলে দাবী করেছেন। ঘটনার ব্যাপার এখনও মুখ খোলেননি ঐশ্বরিয়া। তবে এই ব্যাপারে কথা বলেছেন ঐশ্বরিয়ার ম্যানেজার।
সাংবাদিকদেরকে ম্যানেজার জানান, বিষয়টি হাস্যকর এবং মিথ্যা। এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা করলে সেই যুবকের প্রচারণা হবে। তাই বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনা করতে চাননা।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঐশ্বরিয়া যদি লিখিত অভিযোগ করেন, তাহলে মানহানির দায়ে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে। তবে তারা এটাও বলেছেন যে, যদি এই ব্যক্তির মানসিক অসুস্থতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া কঠিন হবে।
বিশাখাপত্তনম এর ইন্সপেক্টর এম শ্রীনিবাস বলেন, ‘ঐশ্বরিয়ার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিতে পারবো। আমরা জানতে পেরেছি যে এই ব্যক্তি এর আগে নিজেকে এআর রহমানের শিষ্য বলেও দাবী করেছিলেন।’
বিশাখাপত্তনম এর সরকারি মানসিক হাসপাতালের সুপারিনটেন্ডেন্ট রাঁধারানীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, যাদের ‘গ্র্যান্ডিওসিটি’ নামক সমস্যা থাকে তারা সাধারণত এধরণের মিথ্যা দাবী করে। এটা এক ধরণের মানসিক রোগ। ছেলেটি এপি স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাস কন্ডাক্টরের সন্তান। পড়াশোনায় যথেষ্ট ভালো তবে সে মদ্যপ অবস্থায় শহরে ঘুরে বেড়ায়।
সংগীত কুমার নামে সেই যুবক দাবী করেছিলেন, ১৯৮৮ সালে লন্ডনে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে লন্ডনে তার জন্ম হয়েছে। তিন বছর বয়সে তাকে বিশাখাপত্তনম-এ নিয়ে আসা হয়। এর আগে নাকি তিনি মুম্বাইতে ঐশ্বরিয়ার মা বৃন্দা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। ওই যুবকের দাবি, তার জন্মের সময়ে ঐশ্বরিয়ার বয়স ছিল ১৪ বছর। টাইমস অব ইন্ডিয়া







