পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর ফিল্ম সোসাইটি ও ফজলুল হক মণি স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এবং কলকাতার পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্র ও ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটির পূর্বাঞ্চল শাখার উদ্যোগে কলকাতায় শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী ভারত-বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয় ২১ জুন, উৎসবের পর্দা নামে ২৩ জুন।
উৎসবে দেখানো হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের ছয়টি ছবি। উৎসবের শুরুর দিন উদ্বোধনী ছবি ছিল গৌতম ঘোষের ‘গাঙচিল’। ছবিটি ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত।
এদিন উদ্বোধক হিসেবেও উপস্থিত ছিলেন গুণী নির্মাতা গৌতম ঘোষ। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন বিধাননগর ফিল্ম সোসাইটির সম্পাদক রীতেশ বসাক, ফজলুল হক মনি স্মৃতি সংসদ এর আহ্বায়ক ইমানুল হক, চিত্র পরিচালক অমিতাভ চট্টোপাধ্যায়, সুবীর মণ্ডল ও আইনজীবী একরামুল বারি।
ফজলুল হক মনি স্মৃতি সংসদ ও বিধাননগর ফিল্ম সোসাইটি শে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রে পরিবেশিত বিভিন্ন গান পরিবেশন করে ছায়ানট, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, বাচিক শিল্পী সংসদ, গানের তরী ও বাহার সুর ঝর্ণা।
দ্বিতীয় দিনেও ছিলো দুটি চলচ্চিত্র। বাংলাদেশের মাওয়া থেকে হাওয়া, ও পরিচালক দেবদূত ঘোষের ছোটদের ছবি ‘আদর’। একটি হাতিকে নিয়ে আদরিনি গল্পের অবলম্বনে সিনেমাটি সকলের মন ছুঁয়ে যায়। উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটির পক্ষে সহসম্পাদক দেবকুমার পাল ও ‘আদর’ সিনেমার পরিচালক দেবদূত ঘোষ। দর্শকদের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে হাতি সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য।
তৃতীয় ও শেষ দিনে দেখানো হয় জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত সিনেমা ‘কালকক্ষ’ ও ‘কুড়া পক্ষী শূন্যে উড়া’। উপস্থিত ছিলেন কালকক্ষ সিনেমার প্রযোজক অঞ্জন বসু, পরিচালক শর্মিষ্ঠা মাইতি ও রাজদীপ পাল। করোনা পরিস্থিতিতে নির্মিত এই সিনেমা এক অনবদ্য সৃষ্টি বলে মত দেন সিনেসমালোচকরা। সময়ের জালে আটকে পরা মানুষের কথা তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়।
শেষ দিনে ধন্যবাদ জ্ঞাপন এর মধ্যে দিয়ে বিধাননগর ফিল্ম সোসাইটির রিতেশ বসাক বলেন, আগামী দিনেও আরো সুন্দর চলচ্চিত্র উৎসব করার ইচ্ছে রইলো।







