সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল
চট্টগ্রাম বন্দরে আরও ৩ জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই স্বস্তির খবর দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর।
শুক্রবার ডিজেল, এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে এসেছে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা দশম জাহাজ।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, শুক্রবার দুপুরে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ জাহাজটিকে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভেড়ানো হয়েছে। বেলা দুইটায় বিপিসির কর্মকর্তারা জাহাজটি পরিদর্শন করেন এবং এরপরই জ্বালানি খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
ডিজেলবাহী জাহাজের পাশাপাশি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আসা আরও দুটি বড়ো জাহাজ। এই দুই জাহাজে মোট ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস রয়েছে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বন্দর ও কাস্টমস সার্বক্ষণিক কাজ করছে। তিনি আরও জানান, জ্বালানি তেলবাহী আরও চারটি জাহাজ বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য পাইপলাইনে থাকা তেল ও গ্যাসের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলো থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে।
সঙ্কট মোকাবিলায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব জ্বালানি দ্রুত খালাস ও বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।






