গত ১৩ নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জাতীয় দল জার্সিতে প্রথম লাল ছিল সেটি। যে ফাউলে কার্ড দেখেছেন, সেটির কারণে দুই বা তিন ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারতেন সিআর সেভেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথম এক-দুটি ম্যাচ নামতে পারতেন না। সেই শঙ্কা কেটে গেছে। নিষেধাজ্ঞা আপাতত এক ম্যাচের বেশি কাটাতে হচ্ছে না, যা ইতিমধ্যে কাটিয়েও ফেলেছেন রোনালদো। তাকে ছাড়া পর্তুগাল খেলে ফেলেছে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে।
আয়ারল্যান্ড ডিফেন্ডার দারা ও’শিয়াকে কনুই মেরে বাছাই ম্যাচে কার্ড দেখেছিলেন তিনি। ফিফার শৃঙ্খলা সংক্রান্ত নিয়মে আছে, খেলায় কনুই-লাথি বা ঘুষিতে আঘাত করলে দুই-তিন ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন কেউ। ফিফা নিশ্চিত করেছে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে কনুই মেরে মাঠ ছাড়ার পর রোনালদোর বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাই জারি করা হয়।
তবে পরবর্তী দুটি ম্যাচের জন্য স্থগিত নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিয়েছে ফিফা। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে রোনালদোর আগের ভালো আচরণ এবং এটি ছিল তার জাতীয় দলে প্রথম লাল কার্ড, সেদিক বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।
আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে সব ঠিক থাকলে এবং দলে থাকলে প্রথম ম্যাচ থেকেই পর্তুগালের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন ৪০ বর্ষী মহাতারকা।
ফিফা বিবৃতিতে বলেছে, ‘২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর ডাবলিনে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখার পর ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর উপর তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তিনটি ম্যাচের প্রথমটি ছিল ১৬ নভেম্বর ২০২৫ সালে পর্তুগাল ও আর্মেনিয়ার খেলায়।’
‘ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাকি দুটি ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।’
‘এই একবছরের মধ্যে রোনালদো যদি একই ধরনের আরেকটি গুরুতর অপরাধ করেন, তবে স্থগিত থাকা দুই ম্যাচের শাস্তি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। সেই দুই ম্যাচ তিনি পর্তুগালের হয়ে খেলতে পারবেন না। পাশাপাশি নতুন অপরাধের জন্য আলাদা শাস্তিও হতে পারে।’








