প্রিন্স আর প্রিন্সেসের মায়াকাড়া উপস্থিতি ‘বিষণ্ন’ ব্রিটেনে যেনো প্রাণ এনে দিলো। রাজপুত্র জর্জ (৩) আর রাজকন্যা শার্লট (২) এসেছিলেন ‘ট্রুপিং দ্য কালার’ প্যারেড এবং রয়্যাল এ্যায়ার ফোর্সের (আরএএফ) মহড়া দেখতে। এসময়ই ছোট্ট দুই রাজকীয় শিশুর প্রাণবন্ত, দিপ্তীময় উপস্থিতি উচ্ছ্বলতা ছড়িয়ে দেয়।
ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ আর্মিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ‘ট্রুপিং দ্য কালার’। ব্রিটিশ পদাতিক রেজিমেন্টের এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান রাণী এলিজাবেথের আনুষ্ঠানিক জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হলেও সকল আকর্ষণ ছিলো এই ছোট্ট দুই রাজকীয় শিশুর প্রতি। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের বাসভবন বাকিংহাম প্যালেস থেকে হাত নাড়িয়ে সমবেতদের অভিবাদন জানান তারা।

এই আয়োজনে নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ১ হাজার ৬০০ সেনা, সাথে ছিলো ২৪৪টি ঘোড়া।
তবে রাণী এলিজাবেথ এক বার্তায় এখনকার জাতীয় পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত বিষণ্ণ’ বলে অভিহিত করেন। পশ্চিম লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতেরও বেশি মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনাকে স্মরণ করেন তিনি।

এসময় আরএফএ’র প্লেনের মহড়াও উপভোগ করেন উপস্থিতরা। এখানে ছিলেন রাণী এলিজাবেথ, প্রিন্স ফিলিপ, রাজবধু ডাচেস অব ক্যামব্রিজ এবং ব্রিটিশ রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা ।

এসময় ভাইকে অনুকরণ করে ছোট্ট রাজকন্যা শার্লট একচোখ ঢেকে দেখার চেষ্টা করেন ফ্লাইপাস্ট।

বাবার মতোই পোশাকে লাল রঙের আবহ ছিলো প্রিন্স জর্জের। আর মায়ের মতো গোলাপি পোশাক পড়েন শার্লট।

ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথের জন্মদিন উপলক্ষে এই আয়োজন হলেও রাণীর জন্মদিন ২১ এপ্রিল। এবছর তিনি ৯১ বছরে পা রাখেন।

তবে এই আয়োজনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে উপস্থিত থাকতে পারেননি। গ্রেনফেল টাওয়ারের আক্রান্তদের সাথে দেখা করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে ছিলেন তিনি।
যুক্তরাজ্যের পশ্চিম লন্ডন এলাকায় ২৪ তলা গ্রেনফেল টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫৮ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।







