অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুসে ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ১১ প্যালেস্টাইনিকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে কমপক্ষে ৮০ জন।
বৃহস্পতিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। বুধবার সকালে ইসরায়েলি সৈন্যরা নাবলুসের পুরানো শহরে প্রবেশ করার সাথে সাথে বিস্ফোরণ এবং গুলি করতে থাকে। পরে প্যালেস্টাইন বন্দুকধারীদের সাথে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। দু’জন তালিকাভুক্ত প্যালেস্টাইন যোদ্ধা হোসাম ইসলিম ও মোহাম্মদ আব্দুল ঘানির বাড়ি ঘেরাওয়ের আগে শহরের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয় সেনাবাহিনী। অভিযানে তারা দুজন নিহত হয়েছে।
এ সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক নিহত হন, তাদের মধ্যে তিনজন বয়স্ক ব্যক্তিও রয়েছে।
প্যালেস্টাইনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আদনান সাবে বারা (৭২) নিহতদের একজন, ব্যস্ত বাজারের একটি রাস্তায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও ৬১ বছর বয়সী আবদুল হাদি আশকার এবং ১৬ বছর বয়সী একজন ছেলে মোহাম্মদ শাবানকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
বয়স্কদের মধ্যে আরেকজন হলেন আনান শওকত আনাব। ৬৬ বছর বয়সী এই ব্যক্তি টিয়ার-গ্যাস দ্বারা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার পর স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সশস্ত্র গোষ্ঠী লায়ন্স ডেন এক বিবৃতিতে বলেছে, সম্প্রতি ঘোষিত বালাতা ব্রিগেড-এর সঙ্গে মিলে অভিযানের সময় তারা ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তরুণ প্যালেস্টাইনরা ইসরায়েলি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ে মারে। এছাড়া তাদের ৬ কর্মী নিহত হয়েছে বলে টেলিগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে জানায়।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী বলেছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনী এখন নাবলুস শহরে অভিযান চালাচ্ছে’। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, ‘তারা আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকারকারী একটি বাড়ির ভিতরে লুকিয়ে থাকা তিনজন হত্যা করেছে।’ তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত আর কিছু বলেনি।







