চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

৯৩ শতাংশ মেধা রেখে কোটার ঐতিহাসিক রায়ের পূর্বাপর

এস এম আশিকুজ্জামান এস এম আশিকুজ্জামান
১০:০০ পূর্বাহ্ণ ২৪, জুলাই ২০২৪
- টপ লিড নিউজ, আদালত
A A

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের আলোচিত রায়টি সামগ্রিক ভাবে বাতিল করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

২১ জুলাই ঘোষিত ঐতিহাসিক রায়ে মেধা থেকে ৯৩ শতাংশ। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটার হার নির্ধারণ করে দেয়া হয়। নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলো সাধারণ মেধাতালিকা থেকে পূরণ করতে নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। তবে এই নির্দেশ স্বত্তেও সরকার প্রয়োজনে সার্বিক বিবেচনায় নির্ধারিত কোটা বাতিল, সংশোধন বা সংষ্কার করতে পারবে বলে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মত রায় দেন। এই রায়ের আলোকে নির্বাহী বিভাগকে অবিলম্বে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়। আলোচিত এই রায় প্রদানকারী বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো: আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন।

পূর্নাঙ্গ রায়টি দিতে একটু দেরি হবে উল্লেখ করে রায়ের অপারেটিং পার্ট (মূল রায়ের অংশ) ঘোষণা করে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন,’কোটা নির্ধারণ রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী বিষয়। তবু সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের এখতিয়ারবলে এবং সার্বিক ও যৌক্তিক বিবেচনায় সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের স্বার্থে সংবিধানের সমতা নীতি ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রজাতন্ত্রের কর্মে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের প্রতি লক্ষ রেখে এই রায়ে কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

‘এই রায় ও আদেশের পর শিক্ষার্থীরা কোটা সংক্রান্ত কর্মসূচি প্রত্যাহার করবেন বলে আদালত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করছে’ বলে উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সর্বোচ্চ আদালত।

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান:

Reneta

এদিন রায় ঘোষণার আগে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আদালতের কিছু বক্তব্য তুলে ধরেন। কবি সুকান্তের কবিতার লাইন দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এসেছে নতুন শিশু তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান। শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এদেশের বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইন বিভাগের দায়িত্ব একদিন তাদেরকেই নিতে হবে। এই বিষয়গুলো আন্দোলকারী সকল শিক্ষার্থীকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। তাদের চিন্তা ও কর্মে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে। আর তাহলেই পথ হারাবেনা বাংলাদেশ, টিকে থাকবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আমাদের এই মাতৃভূমি। এর মধ্য দিয়েই বেচে থাকবো আমরা, বেচে থাকবে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের স্মৃতি অনাদিকাল। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাগন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা। তাদের প্রতি কোন অসম্মান জাতি ভালোভাবে নেয় না। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে যেন কোন কার্পণ্য না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান:

শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে পড়াশোনায় মননিবেশ করার আহবান জানিয়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সর্বোচ্চ আদালত বলেন, আশাকরি আমাদের সন্তান তুল্য শিক্ষার্থীগন এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক ভুমিকা পালন করবেন। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। সেই সাথে আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা যেন তাদের সন্তানদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে পড়াশোনায় মননিবেশ করতে বলেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সরকার যেন সচেষ্ট হন সে আহবান জানান আদালত।

দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশাবাদ:

হাইকোর্টের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন করা হয়েছে সে কমিশন যেন তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদাণে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেন, ‘এই আদালত আশা করে তদন্ত কমিশন প্রত্যেকটা ছাত্রের মৃত্যুর কারন উদঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে এবং কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

কারফিউর মধ্যে আদালত প্রসঙ্গ:

শুনানির একপর্যায়ে ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন সর্বোচ্চ আদালতকে বলেন,’কারফিউর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বসেছেন। আমার জীবনে এটা প্রথম।’ এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন,’বিষয়টি পরিষ্কার করছি। সুপ্রিম কোর্ট ও বিচার বিভাগের ছুটি প্রধান বিচারপতি ঠিক করেন, সরকার নয়। তবে সরকারের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়। জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সাথে কথা বলে ঠিক করি যে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ বসবেন (রোববার)। হাইকোর্ট শুধু জরুরি বিষয়গুলো শুনবেন। এরপর রাতে কারফিউ ইস্যু হয়। এক্ষেত্রে কোর্ট বসার সিদ্ধান্ত হয়েছে আগে, কারফিউ হয়েছে পরে। তাই (কোর্ট বসার) সিদ্ধান্ত থেকে আর ব্যাক করিনি।’

সিনিয়র আইনজীবীরা আদালতে যা বলেন:

২১ জুলাই সকাল ১০ টা ২৫ মিনিটে আদালতে শুনানির কার্যক্রম শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ১৯৭২ সাল থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের ধারাবাহিক প্রেক্ষাপট ও আদালতের সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন। একপর্যায়ে রাষ্ট্রের এই প্রধান আইন কর্মকর্তা কোটা নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া সর্বশেষ রায়টি সাংঘর্ষিক ও আইনের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন। সেই সাথে সরকারের কোন নীতিগত সিদ্ধান্ত (পলিসি) নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ করার সাংবিধানিক সুযোগ নেই বলে হাইকোর্টের রায়টি বাতিলের আবেদন জানান। অ্যাটর্নি জেনারেলের যুক্তিকে সমর্থন করে হাইকোর্টের রায়টি বাতিল যোগ্য বলে আরজি জানান ঢাবির দুই শিক্ষার্থীর লিভ টু আপিলের পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক। অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে হাইকোর্টে রিটকারিদের পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী শুনানিতে বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা কোটার দাবীও করেননি, কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাদের ত্যাগের জন্য দুর্দশার কথা চিন্তা করে ৩০ শতাংশ কোটা দিয়েছিলেন সেই ১৯৭২ সালে। সংবিধানে অনগ্রসরদের কোটার কথা বলা আছে, মুক্তিযোদ্ধাদের অনগ্রসর বলেই ধরে নিতে হবে। যৌক্তিক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সংরক্ষণ করে কোটা সংষ্কারের মত দেন এই আইনজীবী।

আলোচিত এই শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী তাদের অভিমত দেন। কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়টি এখতিয়ার বহির্ভূত উল্লেখ করে সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম হাইকোর্টের রায়টিকে ত্রুটিপূর্ণ অবিহিত করেন। সেই সাথে এই আইনজীবী বলেন, ইন্ডিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম শ্রেণির মর্জাদাবান বলা হয়। আমাদের এখানে অনগ্রসর বলা যুক্তিযুক্ত নয়।’ ব্যারিস্টার তানিয়া আমির বলেন ‘মুক্তিযোদ্ধারা অনগ্রসর না, তারা অগ্রগামী সৈনিক। তারা আমাদের গর্ব। তাই মুক্তিযোদ্ধারা যদি অনগ্রসর না হন, তাহলে তাদের নাতিপুতিরা কিভাবে অনগ্রসর হন? হাইকোর্টে করা রিটটিই গ্রহনযোগ্য নয়।’

একপর্যায়ে সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সঠিক ভাবে হওয়া দরকার বলে উল্লেখ করলে প্রধান বিচারপতি তাকে আজকের শুনানির বিষয়বস্তুতে ফিরতে বলেন। এরপর ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন বলেন, ‘কোটা থাকতে পারে, সংষ্কার হতে পারে। তবে তা নির্ধারিত প্রকৃয়ায় এবং যুক্তিসঙ্গত হতে হবে।’ একপর্যায়ে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ বলেন, ‘সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। আর কোন মাপকাঠিতে বা বিবেচনায় এক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে তা হাইকোর্টের রায়ে আসেনি।’

অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বলতে সংবিধানে কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নাই বলে শুনানিতে উল্লেখ করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। আর মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় বীর, তারা অনগ্রসর নয় বলে উল্লেখ করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। কোটা বহালের হাইকোর্টের রায়টি ত্রুটিপূর্ন বলেন সিনিয়র আইনজীবী তানজিব উল আলম। আর হাইকোর্টের রায়টি বাতিল চান আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ।

ছাত্রদের কেউ ছিলো না আদালতে:

সর্বোচ্চ আদালতে কোটা সংক্রান্ত শুনানিতে ছাত্রদের কোন বক্তব্য থাকলে তারা তা দিতে পারবেন বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তবে শুনানিতে আদালত কক্ষে ছাত্রদের কেউকে পাওয়া যায়নি। শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন এখানে কি কোন ছাত্র আছেন? সকালে কয়েকজন ছাত্র নাকি আদালতে প্রবেশের পাস নিতে এসেছিলেন। তবে কোন ছাত্র আদালত কক্ষে আছেন বলে সাড়া মেলেনি। এসময় আদালত কক্ষ ছিল আইনজীবী ও দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কানায়-কানায় পূর্ণ। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও তার ভাই লতিফ সিদ্দিকী।

বাইরে ছিল সেনা-ভেতরে বিজিবি:

সারাদেশে চলমান কার্ফিউর মধ্যেই ২১ জুলাই নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তায় চলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম। সকাল থেকেই সর্বোচ্চ আদালতের সীমানা প্রাচীরের বাইরে ও প্রবেশদ্বারগুলোতে নিরাপত্তায় ছিল সেনাসদস্যরা। আর সীমানা প্রাচীরের ভেতরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তায় ছিল বিজিবি সদস্যরা। এইদিন আইনজীবী, সাংবাদিক ও অন্য প্রয়োজনে আগতদের পরিচয় নিশ্চিত করে মাজার গেট ও আদালত কক্ষে প্রবেশ করতে দেয় পুলিশ।

কোটা নিয়ে বিচারিক প্রেক্ষাপট:

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করে সরকার। তবে পরিপত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের অংশ চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানির পর কোটা বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুলের শুনানি শেষে গত ৫ জুন বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে কোটা পুনর্বহালের রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের ঘোষণার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন ও বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে হাইকোর্টের ঘোষিত রায় স্থগিত চেয়ে ঢাবির দুই শিক্ষার্থী ও রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে সে আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাচ বিচারপতির আপিল বিভাগ কোটা নিয়ে আইনী বিরোধের বিষয়বস্তুর ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) দেন। সেই সাথে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হলে লিভ টু আপিল (সিপি) করেতে বলা হয় এবং পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে। এরই মধ্যে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে তার সার্টিফাইড কপি নিয়ে রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ ও ঢাবির দুই শিক্ষার্থী। এদিকে বিক্ষোভ সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা বাড়লে ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালতে গিয়ে লিভ টু আপিল শুনানির তারিখ এগিয়ে আনতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর চেম্বার আদালত এই লিভ টু আপিল শুনানি জন্য ২১ জুলাই দিন ধার্য করেন। সে অনুযায়ী এই দিন কার্যতালিকার তিন নম্বর আইটেমে থাকা বিষয়টির ওপর শুনানি শেষে রায় দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: কোটারায়সুপ্রিম কোর্টহাইকোর্ট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

সাকিবের ১ উইকেট ও গোল্ডেন ডাক, ৬০ রানে হারল জাফনা

জুলাই ২৩, ২০২৬

নাট্যজন মামুনুর রশীদ-এর মা রোকেয়া খানম মারা গেছেন

জুলাই ২৩, ২০২৬

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত

জুলাই ২৩, ২০২৬

স্পিকার দেশে ফিরলেই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি

জুলাই ২৩, ২০২৬

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণপত্র

জুলাই ২৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT