শুভাগত হোম চৌধুরীর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে প্রাইম ব্যাংক উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিড নিয়েছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। শনিবার ম্যাচের প্রথমদিন ঘূর্নিজালে ৬ উইকেট তুলে উত্তরাঞ্চলের ইনিংস ২৬০ রানে আটকে দেন শুভাগত। রোববার ব্যাটিংয়ে নেমেও দলের ত্রাণকর্তা এই অলরাউন্ডার। তার সেঞ্চুরিতে ২৯৯ রান করেছে মধ্যাঞ্চল। ১২৫ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ১০০ রান করেন এই ডানহাতি। সাইফ হাসান ৪৯ ও তাইবুর পারভেজের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ রান।
তাইবুরের সঙ্গে শুভাগতর সপ্তম উইকেট জুটির ১০৯ রান মধ্যাঞ্চলকে লিডের পথে নিয়ে যায়। বিকেএসপির মাঠে আগের দিনের ৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে মধ্যাঞ্চল। পরে ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকেই পড়েছিল দলটি।
সেখান থেকে শুভাগত-তাইবুরের প্রতিরোধ। জুটিটি যখন ভাঙে দলের রান তখন ২৪১। সোহাগ গাজীর বলে বোল্ড হন তাইবুর। টেলএন্ডারে শরিফউল্লাহ ও শাহাদাত হোসেন রাজিবকে নিয়ে দলকে লিড পাইয়ে দেন শুভাগত। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে আব্দুর রাজ্জাকের ঘূর্ণিতে শুভাগত যখন সাজঘরে ফিরলেন, দল তখন ২৯৯ রানে।
দক্ষিণাঞ্চলের বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক নিয়েছেন চারটি উইকেট। রুবেল হোসেন নিয়েছেন দুটি। একটি করে উইকেট পান মোস্তাফিজুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও সোহাগ গাজী। সাদমান ইসলামকে বোল্ড করে দিনের প্রথম উইকেটটি নেন মোস্তাফিজ। আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে বিসিএলে খেলতে নামা এ বাঁহাতি পেসার বল করেছেন ১৬ ওভার।

অন্য ম্যাচে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ৪৯০ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল। আফিফ হোসেনের পর সেঞ্চুরি করেছেন ইয়াসির আলি। ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আগের দিন আফিফ হোসেনের সেঞ্চুরিতে (১০৫) তিন উইকেট হারিয়ে ২৯৩ রান তোলে পূর্বাঞ্চল। আফিফ সেঞ্চুরি করলেও অপর ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন তান্না ৮১ রানে আউট হয়ে যান।
প্রথমদিন ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন ইয়াসির। ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিন শুরু করা জাকির হাসান এদিন আর ১৫ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন।
সাঞ্জামুল ইসলাম ও ইয়াসিন আরাফাত তিনটি করে উইকেট নেন। দুটি উইকেট নিয়েছেন আরিফুল হক। একটি করে উইকেট নেন নাসির হোসেন ও সোহরাওয়ার্দী শুভ।
দিনের শেষভাগে ব্যাটিং করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৮ রান তুলেছে উত্তরাঞ্চল। জুনায়েদ সিদ্দিকী ১৫ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয়দিনের খেলা শেষ করেছেন।







