জম্মু কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ ধারা বাতিলের নরেন্দ্র মোদি সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টে গিয়েছে কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ’র দল ন্যাশনাল কনফারেন্স।
ওমর আব্দুল্লাহ ভারতীয় বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও শনিবার ন্যাশনাল কনফারেন্সের পক্ষ থেকে দুই সাংসদ আকবর লোন এবং হাসনাইন মাসুদি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের কাছে জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য রিঅর্গানাইজেশন(পুনর্গঠন) অ্যাক্ট, ২০১৯ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়েছে ন্যাশনাল কনফারেন্স। গত বুধবার ভারতীয় সংসদে এই অ্যাক্টকে অসাংবিধানিক, অকার্যকর এবং অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়েছে।
গত সোমবার জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এই প্রস্তাবে জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে আইনসভা থাকবে, কিন্তু লাদাখে কোনও আইনসভা থাকবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এই প্রস্তাবে এদিন তুমুল প্রতিবাদ জানান বিরোধীরা।
এই অঞ্চলের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদার বিলুপ্তি ঘটানোর পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে আগাম সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
এই কারণ দেখিয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতি, ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ওমর আব্দুল্লাহ এবং জম্মু কাম্মীর পিপলস কনফারেন্সের নেতা সাজ্জাদ লোনের মতো হেভিওয়েট নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রচুর সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরে। অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইতোমধ্যে। অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ব্যবসায়ী, অধ্যাপকসহ অনেককে।
এর আগে সমাজকর্মী তহসিন পুনাওয়ালা কারফিউয়ের বিরুদ্ধে এবং রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের গ্রেপ্তারকে চ্যালেঞ্জ করে একটি আবেদন করেছিলেন। সে আবেদন নাকচ করে দিয়ে আদলত বলেছে, এই আবেদন প্রধান বিচারপতির কাছে তালিকাভুক্ত করা হবে।







