এবারের ঈদে দেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের ৩৬ জেলার মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছে সরকার। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সম্পূর্ণ চালু এবং রাস্তা থেকে অবৈধ পার্কিং ও রাস্তা দখলে ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছে প্রশাসন।
বছর ঘুরে আবারো আসছে ঈদ। রাজধানী এবং এর আশপাশের কাজের জন্য ছুটে আসা মানুষগুলো ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে ছুটবে গ্রামের পথে। সরকারি হিসেব মতে রাজধানী এবং এর আশপাশের প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঈদ করতে গ্রামে ছুটে যায়।
কেমন হবে এবারের দেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত? তা দেখতে যাত্রা মহাখালী আন্ত:জেলা বাস টার্মিনাল থেকে ।
ঈদে এই পথে ঘরমুখো মানুষের প্রধান দুর্ভোগ মহাখালী, আমতলী, বনানীর জ্যাম। মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা পার হতে সময় লাগবে প্রায় দুই ঘন্টা।
বনানী ওভারপাস পার হয়ে একেবারে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত নির্বিঘ্নে যেতে পারলেও নিশ্চিতভাবে আব্দুল্লাহপুরে পড়তে হবে জ্যামে। এরপর টঙ্গী, চেরাগআলী, গাজীপুর বোর্ড বাজার, ছয়দোনা, গাজীপুর বাইপাসের জ্যাম ঠেলে চান্দিনা চৌরাস্তা মোড়ে হবে সবচেয়ে কঠিন অবস্থা।
আব্দুল্লাপুর থেকে শুরু করে চান্দিনা চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তার অবৈধ পার্কিং এবং রাস্তার অর্ধেকজুড়ে ছোট বড় কয়েকটি ডাস্টবিনই হবে এই জ্যামের মূল কারণ।
তবে প্রশাসন বলছে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এবার ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বাড়তি সতর্কতায় থাকবেন তারা।
তবে গাজীপুর চান্দিনা চৌরাস্তা পার হতে পারলেই নিশ্চিতভাবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গন্তব্যে পৌছতে পারবেন ঘরমুখো যাত্রীরা। ঐ মহাসড়কের পরিবেশও কিছুটা ঈদের আমেজ দিবে যাত্রীদের।







