মিরপুর থেকে: ওয়ানডে সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার ভেন্যুতেই টি-টুয়েন্টি সিরিজ জয়ের মোক্ষম সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারাতে স্বাগতিকদের করতে হবে ১১৮ রান।
চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে দাপুটে জয়ের পর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে ইংলিশদের মুখোমুখি হয়েছে টিম টাইগার্স। টস জিতে সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে একশর পরপরই আটকে দিয়েছে সাকিব আল হাসানে দল। এক ম্যাচ পর একাদশে ফিরে বল হাতে বাজিমাত করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, নিয়েছেন ৪ উইকেট।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে স্পিনিং উইকেটে ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে জস বাটলারের দল তুলেছে ১১৭ রান। সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন বেন ডাকেট। ওপেনার ফিল সল্টের ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। বাংলাদেশের দারুণ বোলিংয়ে বাকি ব্যাটাররা ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যে।
পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৫০ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড। বোলারদের উপর চড়াও হন সল্ট। ১৯ বলে তিন চার ও এক ছয় মেরে কোয়ার্টার পূর্ণ করে সাকিবের বলে ফিরতি ক্যাচ দেন।
সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে তৃতীয় ডেলিভারিতেই উইকেট নেন সাকিব। অধিনায়ক ব্রেক থ্রু এনে দেয়ার পর উইকেট তুলে চাপ জারি রাখেন হাসান মাহমুদ ও মিরাজ। টানা তিন ওভারে একটি করে উইকেট হারায় ইংলিশরা।
পরে মিরাজ ১৫তম ওভারে বোলিংয়ে এসে দুই উইকেট তুলে বিধ্বস্ত করেন সফরকারীদের ব্যাটিংলাইন। এক্ষেত্রে কৃতিত্ব লিটন দাসেরও। দারুণভাবে দুটি স্টাম্পিং করেন। নিজের শেষ ওভারে শেষ বলে মিরাজ উইকেট নিলে স্কোরবোর্ডের চেহারা হয়ে পড়ে বিমর্ষ (১৭ ওভারে ১০০/৭)। সেখান থেকে আর ১৭ রান যোগ করতে পারে ইংলিশরা, শেষের তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে।
নিজের দ্বিতীয় ওভার ও ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদ অসাধারণ এক ডেলিভারিতে ডেভিড মালানকে (৫) হাসানের ক্যাচ বানিয়ে এনে দেন প্রথম উইকেট। শেষের উইকেটটি নিয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রথম ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ সিরিজ জয়ের। ১১৮ রান করতে পারলে টি-টুয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় অর্জনও হবে এটি। আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে এরআগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়েকে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ।








