বিদেশী ক্রেতাদের দুই জোট অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের নিরাপদ কর্মপরিবেশের নির্দেশনা অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রামের ৬০ শতাংশ তৈরি পোশাক কারখানা। তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহযোগিতা না পাওয়া, আলাদা গার্মেন্টস পল্লীর জন্য জায়গা না থাকায় কোটি টাকা খরচে কারখানা নিরাপদ করতে উদ্যাক্তোরা হিমশিম খাচ্ছেন বলে দাবি করেছে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমএইএ চট্টগ্রাম।
দেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে হলেও দেশের তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে মাত্র ৫শ’টি রয়েছে চট্টগ্রামে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠায় বেশিরভাগ কারখানার ভবন অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ দুর্ঘটনা থেকে যেমন নিরাপদ ছিলো না, তেমনি শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ছিলো নাজুক।
সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স ও ন্যাশনাল অ্যাকশন পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিদর্শন হয়। খুব বেশি কারখানা বন্ধের ফাঁদে না পড়লেও বেশিরভাগ কারখানায় নানা ধরনের ত্রুটি ধরা পড়ে।
গত দুই বছরের মধ্যে প্রায় ১ থেকে ৩ কোটি টাকা খরচে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজস্ব ভবন তৈরি করে ৬০ শতাংশ কারখানা সরিয়ে নিয়েছে বন্দরনগরীর তৈরি পোশাক উদ্যোক্তারা।
চট্টগ্রামের বিজিএমই সহসভাপতি নাসির উদ্দিস আহমেদ বলেন, আমরাও চাই পুরোপুরি কমপ্লায়েন্স হতে। কিন্তু এজন্য যে পরিমাণ আর্থিক সক্ষমতা দরকার তার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পাচ্ছি না। ক্ষতি মেনে অনেকেই ইতিমধ্যে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করেছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের যথাযথ সহযোগিতা পেলে পুরাতন কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত যেমন হবে তেমনি নতুন কারখানাও তৈরি হবে বলেও দাবি করেন চট্টগ্রামের বিজিএমই প্রথম সহ-সভাপতি।







