প্রশিক্ষণের মাধম্যে হিজড়াদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ চলছে। তবে তাদের জন্য নেই ঋণ পাবার নিশ্চয়তা। তাই প্রশিক্ষণ নিয়েও নিজের মতো ব্যবসা বা কর্মপেশায় নিয়োজিত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাটা সহজ হচ্ছে না।
তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়ারা বলছেন, দীর্ঘদিন পরিবারবিচ্যুত থাকায় পরিবারে কিংবা সমাজের মূলধারায় ফিরতে তাদের মানসিক সহায়তা দরকার।
সাত বছর বয়সে ঘর ছেড়েছিলেন মায়া। তারপর উদ্বাস্তু জীবনে নিজ দেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারত-পাকিস্তানে কাটিয়েছেন দীর্ঘ সময়। ওইসময় তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি বিউটি পার্লার এবং সেলাই প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন করেছেন। শেষ আশ্রয় মিলেছে এক গুরুমার কাছে।
তার মতোই আরো অনেকেই গুরুমার আশ্রয়ে পরিবারভুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে গান-বাজনা-বিনোদনের পাশাপাশি কর্মেও মনোযোগী হয়েছেন।
নিজেদের স্বাবলম্বী করতে চলছে কম্পিউটার বা সেলাই প্রশিক্ষণ। কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নিজে একটি ছোট প্রতিষ্ঠান গড়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন অনেকেই।
তবে প্রশিক্ষণের পর কাজের ব্যবস্থা হবে কিনা তা নিয়ে শংকাও আছে। অনেকে হিজড়াদের বিষয়ে বিরূপ মনোভাবের হওয়ায় কাজ দিতে চান না। স্বাধীন পেশা গড়তে নেই ঋণ পাবার নিশ্চয়তাও।
তবে আশার কথা, রাজধানীতে এখন একশ জন হিজড়া বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত আছেন। গ্রুমিংয়ের পর বদলে যাওয়া হিজড়াদের অনেকেই বলছেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করতে হলে পরিবার-সমাজকে সহনশীল হতে হবে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:
https://youtu.be/L2J6p6MOEik










