অ্যারন ফিঞ্চকে আটকানো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের আগে অবিশ্বাস্য ফর্মে রয়েছেন তিনি। আগের দু’ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া ফিঞ্চ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ানডেতে করেন ৯০ রান। অজি অধিনায়কের সঙ্গে তার সতীর্থদের চাপে হালে পানি পাচ্ছে না পাকিস্তান। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ দুই ম্যাচ হারে রেখেই হেরে গেছে শোয়েব মালিকের দল।
বুধবার সিরিজের তৃতীয় একদিনের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৬ উইকেটে ২৬৬ রান। জবাবে ৫.২ ওভার বাকি থাকতে পাকিস্তান অলআউট হয় ১৮৬ রানে।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই চেপে ধরার সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান, প্রথম ওভারে উসমান শেনওয়ারির বলে উসমান খাজা ও ষষ্ঠ ওভারে জুনাইদ খানের বলে শন মার্শ আউট হওয়াতে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর হয়ে গিয়েছিল ২ উইকেটে ২০ রানে। তবে পিটার হ্যান্ডসকম্ব ও অ্যারন ফিঞ্চ ছিলেন দারুণ সতর্ক, তৃতীয় উইকেট হারানোর আগে দুজন মিলে যোগ করেন ৮৪ রান। হ্য্যান্ডসকম্ব ও মার্কাস স্টোইনিসকে যথাক্রমে হারিস সোহেল ও ইমাদ ওয়াসিম ফেরালে আবার আশা পেয়েছিল পাকিস্তান, তবে সেটা তখন পর্যন্ত হতে দেননি ফিঞ্চ। ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে তার জুটি ৮৮ রানের।
ইয়াসির শাহর বলে লং-অনে ধরা পড়ে ফিঞ্চ হাতছাড়া করেছেন রেকর্ড (টানা চার ম্যাচে সেঞ্চুরি, ভারত সফরেরটাসহ), অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ইনিংসের ৪৮ বল বাকি থাকতে ১৮৯। পরের ছয় ওভারে উঠে ম্যাক্সওয়েল-ঝড়, অস্ট্রেলিয়া ৩৬ বলে তুলে ৬০ রান। ২৭ রানে তার ক্যাচ পয়েন্টে ছেড়েছিলেন ইমাম-উল হক, সেই ম্যাক্সওয়েল থামেন পরের ২০ বলে আরো ৪৪ রান যোগ করে। ম্যাক্সওয়েল ফিরলেও অ্যালেক্স ক্যারির ২১ বলে ২৫ রানের ইনিংসে শেষ ২ ওভারেও অস্ট্রেলিয়া তুলেছিল ১৭ রান।
রানতাড়ায় পাকিস্তান স্বস্তিতে ছিল না কখনোই। শোয়েব মালিক ও ইমামের ৫৯, ইমাদ ওয়াসিম ও উমর আকমলের ৫৩ বা শেষদিকে ইয়াসির শাহ ও ইমাদের ২৯ রানের জুটি অস্ট্রেলিয়ার জয়টাকেই বিলম্বিত করেছে শুধু।
পাকিস্তান ইনিংস শেষ হয় ১৮৬ রানে। ৮ রানে শেষ ৪ উইকেট হারায় তারা, সবকটি উইকেটই নেন অ্যাডামা জ্যাম্পা। ফলাফল নির্ধারিত হয় ৮০ রানে।
দুদলের মধ্যকার চতুর্থ ওয়ানডে হবে শুক্রবার দুবাইতে।







