ঢাকা বিশবিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলে রাখার পক্ষে এবার শিক্ষার্থীদের পরিবহণ করা বাস কমিটির নেতারাও একমত পোষণ করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে তারা একথা জানান।
এর আগে গঠনতন্ত্র সংশোধনীতে ভোট কেন্দ্র হলে বহাল রাখার কথা বলা হয়। তারপর থেকে হলের বাইরে একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র রাখার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে ছাত্রদল ও বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো।
তারা দাবি করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হলে ছাত্রলীগের একক আধিপত্য রয়েছে। সেখানে ভোটকেন্দ্র রাখা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার শঙ্কা করছেন তারা।
এর দাবিতে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো গতকাল সোমবার উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন।
তবে, ছাত্রলীগসহ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কয়েকটি সংগঠন হলের মধ্যেই ভোটকেন্দ্র রাখার বিষয়ে একমত। এর আগে ভোটকেন্দ্র হলের মধ্যে রাখার বিষয়ের সাথে একমত পোষণ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ভিত্তিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক ২২টি সংগঠন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান ফাল্গুনী বাস কমিটির সভাপতি নুর মোহাম্মদ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, ‘ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃত্রিম বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা সবাই একটি অভিন্ন ও ঐক্যবদ্ধ পরিবার।
অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা হলের সাথে সম্পৃক্ত, হলে আমাদের যাতায়াত অবাধ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড আমাদের হলের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।
অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে নি:শঙ্কচিত্তে, আনন্দময়ভাবে হলে ভোটদানে সার্বিক পরিবেশ আছে বলে আমরা মনে করি।’
এর আগে ছাত্রলীগের সাথে এ বিষয়ে কয়েকদফা সভা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কমিটির সমন্বয়ক রাকিব হাওলদার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত বাস রুট কমিটির নেতৃবৃন্দ। এদের মধ্যে ফাল্গুনী বাসের সভাপতি নুর মো. বাপ্পী, বৈশাখী বাসের সভাপতি মো. শামীম, আনন্দ বাসের সভাপতি মাহমুদুল হাসান শুভ প্রমুখ।








