এ বছর বাংলাদেশ থেকে কতজন হজযাত্রী প্রতারিত হয়ে হজে যেতে পারছেন না সরকারের কাছে তার কোন হিসাব নেই। তবে হজে যাওয়ার সময় যত এগিয়ে আসছে এই সংখ্যা ততোই বাড়ছে।
জানা গেছে, বিমানের আগামী ২দিনে এবং সাউদিয়ার ৩ দিনে এখনও ১৬ হাজার হজযাত্রীকে পরিবহন করতে হবে। অাগামী ২৭ শে আগস্ট ফ্লাইট পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত স্লট এখনো পায়নি বিমান।
এছাড়া বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে এসব হজযাত্রীর কষ্টের কোন শেষ নেই । একেক জনের কাছে ভোগান্তির গল্পটা একেক রকম। এর মধ্যে সিলেটের দাউদ মোস্তফা মাকে নিয়ে হজে যাওয়ার জন্য এস আহমেদ ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেলসএক অনেকে আগেই টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এখন আর পাচ্ছেন না ওই প্রতিষ্ঠানের কাউকেই। তাই অভিযোগ জানাতে ঢাকার হজ ক্যাম্পে এসে নানা জনের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন তারা।
এছাড়া পটুয়াখালীর বাউফলের শাহানা পারভীন অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে আছেন হজক্যাম্পে। আজ যাওয়া হবে কাল হবে এভাবেই হজ ক্যাম্পের বারান্দায় কেটে গেছে ১ মাস।
অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ১শরও বেশী হজযাত্রীর পাসপোর্ট নিয়ে উধাও তাদের এজেন্ট। এর মধ্যেও যারা ফ্লাইট পেয়েছেন তারা ভাগ্যবান মনে করছেন নিজেদের।
হজযাত্রী নিয়ে বিমানের সর্বশেষ ফ্লাইট ২৬ আগস্ট রাত ১২ টা পর্যন্ত। ২৭ আগস্টের জন্য অতিরিক্ত স্লটের অনুমদন এখনো পায়নি বিমান। সেক্ষেত্রে ভিসা পাওয়া সব হজযাত্রী পরিবহন নিয়েও সংকট কাটছে না।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








