তরুণ সমাজকে যুক্ত করে আরও বেশি শিক্ষামূলক এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান করতে চ্যানেল আইয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। ১ অক্টোবর সতেরোতম জন্মদিনের আগে শুভেচ্ছা জানিয়ে তারা দেশের উন্নয়নে চ্যানেল আইয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ষোল পেরিয়ে স্বর্ণালি সতেরোতে পা রাখছে চ্যানেল আই। মানুষের পাশে থেকে মানুষের কথা বলায় পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা। নিরপেক্ষ সংবাদ যেমন, তেমনই গঠনমূলক অনুষ্ঠানে পৌঁছেছে জনপ্রিয়তার অনন্য অবস্থানে। চ্যানেল আইয়ের বর্ষপূর্তি সামনে রেখে এসবই মনে করিয়ে দিলেন গুণীজনেরা।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, চ্যানেল আই ১৭ বছরে পড়ছে। আর সেটাই প্রমাণ করছে যে শুধু বিনোদন নয়, বিনোদনের বাইরে সমাজ সচেতনতামূলক বিষয় বিশেষ করে কৃষি, বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রগুলোতে কর্মসূচীমূলক অনুষ্ঠান প্রচারের মধ্য দিয়ে চ্যানেল আই একটি সার্বজনীন, একটি দর্শক নন্দিত চ্যানেলে পরিণত হয়েছে।
‘জঙ্গিবাদের আতঙ্ক থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চ্যালেঞ্জে চ্যানেল আই সফল হোক,’ বলে তিনি চ্যানেল আইকে শুভেচ্ছা জানান।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে চ্যানেল আইয়ের সুদৃঢ় অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান বেশি প্রচারের আহ্বান জানান।
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, তরুণরা এখন সামাজিক মাধ্যমগুলোর দিকে বেশি চলে যাচ্ছে। তাই বড় স্ক্রিনের দিকে ফিরিয়ে আনতে এমন কিছু অনুষ্ঠান তৈরি করলে ভালো হবে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদ ডক্টর আকবর আলী খান বলেন, আমার কাছে চ্যানেল আই এর একটি বিশেষত্ব আছে। প্রথম থেকেই চ্যানেল আই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি বিশেষ যত্নশীল। এই কাজটি তারা গত ১৬ বছর ধরে অনেক ভালোভাবে করে আসছে ও ভবিষ্যতেও আরো ভালোভাবে করতে পারবে।
জন্মদিন উদযাপনে চ্যানেল আইয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রাত বারোটা এক মিনিটে শুরু হবে উৎসব। সারাদিন ধরে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এই উৎসব চলবে। জন্মদিন উপলক্ষে দর্শক-শুভাকাঙ্খীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে চ্যানেল আই।







