ওভালে অভিষিক্ত টোবি রোল্যান্ড-জোন্সের তোপে ৮ উইকেটে ১২৬ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে সাউথ আফ্রিকা। ইংল্যান্ডের থেকে এখনো ২২৭ রানে পিছিয়ে আছে তারা। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকরা ৩৫৩ রান তুলে অলআউট হয়েছে।
ব্যাটিং স্বর্গ ওভালে প্রথম দিনে বৃষ্টির বাগড়া ছিল বিরতি দিয়ে দিয়ে। তাতে সুইং ও সিম মুভমেন্টের ফায়দা ভালোই লুটেছেন প্রোটিয়া বোলাররা। দ্বিতীয় দিনে ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণ ছাড়িয়ে গেল সবকিছুকেই।
যাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৯১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ৩৩৯ উইকেট নেয়ার পর টেস্টে অভিষেক হওয়া টোবি রোল্যান্ড-জোন্স। নিয়েছেন ৪ উইকেট। এক সময় ৬১ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছিল প্রোটিয়ারা। শেষদিকের প্রতিরোধে আরো বড় লজ্জা এড়িয়েছে তারা।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে ডিন এলগারকে (৮) ফিরিয়ে প্রথম টেস্ট উইকেট নেন রোল্যান্ড। পরের দুই ওভারে হেইনো কুন (১৫) ও হাশিম আমলাকে (৬) ফেরান। কুইন্টন ডি কককে (১৭) ফিরিয়ে ভয়ঙ্কর এক স্পেলের সমাপ্তিই টানেন এই পেসার।
সেখান থেকে অভিজ্ঞ জেমস অ্যান্ডারসনের জোড়া আঘাতে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়ারা। অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস (১) ও ক্রিস মরিসকে (২) ফেরান তিনি। বেন স্টোকস ৫ রান করা কেশভ মহারাজকে সাজঘরে পাঠিয়ে ষোলোকলা পূর্ণ করার চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু কাগিসো রাবাদার ৩০ ও টেম্বা বাভুমার অপরাজিত ৩৪ রানে অলআউট ঠেকিয়ে দিন শেষ করে আফ্রিকানরা। শুক্রবার সকালে পেটের পীড়া নিয়ে মাঠ ছাড়া পেসার ভারনন ফিনল্যান্ডার তৃতীয় দিনে বাভুমার সঙ্গে মিলে কিছু একটা করতে পারলে আরো খানিকদূর এগোনোর সুযোগ থাকছে সফরকারীদের।
এর আগে স্টোকসের সেঞ্চুরিতে সাড়ে তিনশ পেরিয়ে যায় ইংলিশরা। অ্যালিস্টার কুক অবশ্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছেন। ৪ উইকেটে ১৭১ রানে দিন শুরু করার সময় ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন এই বাঁহাতি উদ্বোধনী। ফিরেছেন আর মাত্র ৬ রান যোগ করেই।
পরে জনি বেয়ারস্টো ৩৬, মঈন আলি ১৬ ও রোল্যান্ড-জোন্স ২৫ রানে ফিরে গেলেও দমে যাননি স্টোকস। ৯১ রানে থাকার সময় মহারাজকে টানা তিন ছক্কা হাঁকানোর পথেই শতক পূর্ণ করেছেন। ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তার। শেষ পর্যন্ত ৯ চার ও ৩ ছয়ে ১৫৩ বলে ১১২ রানে থেমেছেন।










