চট্টগ্রাম থেকে: ১১৯ রানে থেমে যেতে পারত অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ইনিংসটি। ২২ গজের লড়াই আরও সামনে এগিয়ে নিতে পেরেছেন ভাগ্যের ছোঁয়ায়। খালেদ আহমেদের বল তার ব্যাট ছুঁয়ে জমা পড়ে লিটন দাসের গ্লাভসে। কিন্তু আওয়াজ কানে না আসায় আবেদন করেননি কেউ। ম্যাথুজ নিজেও শব্দ শুনতে পাননি।
সৌভাগ্যের পর দুর্ভাগ্য সঙ্গী হয় ম্যাথুজের। বাংলাদেশের মাটিতে প্রথম ব্যাটার হিসেবে আউট হন ১৯৯ রানে। ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় অভিজ্ঞ ব্যাটারকে।
চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঘটনাটির ব্যাখ্যা দিয়েছে দু’পক্ষই। ম্যাথুজসহ শ্রীলঙ্কার ইনিংসের ৬ উইকেট তুলে নেয়া নাঈম জানান রিভিউ না নেয়ার কারণ।
‘আসলে ওটার (খালেদের বলে) সাউন্ডই পাই নাই আমরা। ওটা লাগছে শিওর ছিলাম না। বাইরে থেকে মনে হয় অনেক সহজ রিভিউ নেয়া। কিন্তু যারা মাঝখানে থাকে তাদের জন্য কঠিন। কারণ একটা বল যেতে তো বেশি সময় লাগে না। মিলি সেকেন্ডের ভেতরে বল চলে যায়। ম্যাথুজেরটা যেটা বলছেন, কেউ বুঝি নাই, সাউন্ডই হয় নাই।’
টিভি রিপ্লে দেখে ম্যাথুজ নিজেও অবাক হন, ‘আসলে না ( বুঝতে পারিনি)। আমি নিজেও অবাক। শুনতে পাইনি, লিটনকে জিজ্ঞেস করেছি। আমিও শুনিনি, লিটনও শোনেনি। কেউ শুনতে পায়নি। কিন্তু এরকম কিছু হয়ে যায়। ভেবেছিলাম আমি এজড হয়েছিলাম বাঁহাতি স্পিনারের (তাইজুল) বলে। পরে দেখা গেল সেটা ব্যাটে লাগেনি। এরকম কিছু মুহূর্ত থাকে।’
তাইজুলের বলের ঘটনার সময় ৩৮ রানে ছিলেন ম্যাথুজ। কট বিহাইন্ডের আবেদনে তাকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। তাৎক্ষণিক রিভিউ না নিয়ে কিছুটা ভেবে সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আল্ট্রা এজ টেকনোলজি জানায়, ব্যাটে বল লাগেনি। একই ইনিংসে সৌভাগ্য-দুর্ভাগ্যের দুটি রূপই দেখা হল তার।








