সৌদি আরবের নের্তৃত্বে মুসলিম দেশগুলোর নতুন একটি সামরিক জোটে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। ইরান, সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইরাকের মতো মুসলিম প্রধান দেশগুলো না থাকলেও এই জোটের অন্যতম শরীক পাকিস্তান।
৩৪টি মুসলিম প্রধান দেশকে নিয়ে ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ নতুন এই জোট গঠনের খবর প্রকাশ করেছে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)। সৌদি আরবের রিয়াদ সদরদপ্তর থেকে নতুন সামরিক জোটটি পরিচালিত হবে। সামরিক এই জোটে বাংলাদেশের যোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়, সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এই জোট গঠনের উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাতে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল বিন আহমেদ আল-জুবাইর। “সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির জন্য অন্যান্য মুসলিম দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
কী করবে এই সামরিক জোট:
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য অনুযায়ী, ৩৪টি মুসলিম প্রধানদেশের সমন্বয়ে গঠিত সামরিক জোট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে সহায়তা করবে। প্রত্যেকটি দেশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছে। কিন্তু এই সামরিক জোটে সমন্বিতভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করবে সদস্যদেশগুলো।
ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের আরও বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ সৌদি নের্তৃত্বাধীন জোটে সমর্থন জানিয়েছে বলেও জানায় এসপিএ।
নতুন সামরিক জোটের সদস্য যারা:
সৌদি আরবের নের্তৃত্বে এই জোটে আরও আছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, তুরস্ক, মিসর, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, লেবানন, লিবিয়া, বেনিন, শাদ, টোগো, তিউনিসিয়া, জিবুতি, সেনেগাল, সুদান, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, গ্যাবন, গায়ানা, কমোরস, আইভরি কোস্ট, মালি, মরক্কো, মৌরিতানিয়া, নাইজার ও নাইজেরিয়া।







