সৌদিতে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনায় যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা সমাধান হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ২০১৯ সালে সৌদি সিভিল এভিয়েশন (গাকা) কর্তৃপক্ষ সৌদি আরবে পরিচালিত বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট ওঠানামার ক্ষেত্রে গ্রাউন্ড সার্ভিসিং এজেন্ট (জি এস এ) দুটোর পরিবর্তে একটি এজেন্সিকে নিয়োগ দেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সেই নির্দেশনা অনেক এয়ারলাইন্স কোম্পানি সময় মত বাস্তবায়ন করতে পারেনি। উল্লেখ্য সৌদি আরবের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনার পর থেকেই গ্রাউন্ড সার্ভিসিং পরিচালনার জন্য দুটি এজেন্সিকে জি এস এ হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে আসছিল। সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ করে জেদ্দা এবং মদিনা গ্রাউন্ড পরিচালনা দায়িত্ব পেয়েছিল ইলাফ ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম, রিয়াদ এবং দাম্মাম অঞ্চলের জি এস এ এর দায়িত্ব দেয়া হয় এস ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমকে যা বিগত ২৩ বছর যাবত উল্লিখিত দুটি ট্রাভেল এজেন্সি জিএস এ এর দায়িত্ব পালন করে আসছিল কিন্তু সৌদি সিভিল এভিয়েশন (গাকা) কর্তৃপক্ষ এর শর্ত পূরণে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এবং জিএসএ নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়া সর্বশেষ এস ট্রাভেল কর্তৃক বিভিন্ন অজুহাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদানের সময়ক্ষেপন করায় সংকটে পড়ে বিমান।
সংকট নিরসনে জেদ্দা এবং রিয়াদ অঞ্চলের রিজিওনাল ম্যানেজার, জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট এর কনসাল জেনারেল, রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস এর মান্যবর রাষ্ট্রদূত, বেসামরিক বিমান পরিবহন চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরলস প্রচেষ্টা সর্বশেষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপে অবশেষে আজ ৭ মার্চ এস ট্রাভেল কর্তৃক তাদের ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করায় সৌদি আরবে বিমান পরিচালনা বাধা দূর হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। এতে করে সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছিল তা দূর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








