চট্টগ্রাম থেকে: শেষ দিনে দরকার ৩৩ রান, হাতে দুই্ উইকেট। অভিষেক টেস্টেই সাব্বির রহমান হতে যাচ্ছিলেন ইংল্যান্ড বধের নায়ক। এই ব্যাটসম্যান ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে গেলেও তাইজুল, শফিউলের বিদায়ে ২২ রানে হেরে যায় টাইগাররা। গত বছরের অক্টোবরে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অমন হারে আক্ষেপে পুড়েছে পুরো দেশ।
অপরাজিত থেকেও দলকে জেতানো যায়নি; বেশি আক্ষেপ সাব্বিরেরই। শেষ উইকেটটি যখন পড়ল অপর প্রান্তে হাটু ভেঙে সাব্বির বসে রইলেন অনেকক্ষন। রুট-স্টোকস-ব্রুডরা এসে দিলেন সাত্ত্বনা। অনুশীলন ক্যাম্পের জন্য সেই মাঠে এসে স্মৃতিকাতর সাব্বির, ‘আক্ষেপ তো অবশ্যই, ডেব্যু ম্যাচ ছিল। জিততে পারলে অনেক ভাল লাগত। একদম কাছে চলে গিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্য হয়নি।’ মিরপুরে পরের টেস্ট অবশ্য জিতে সিরিজ ড্র করেছিল বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে ৪-৮ সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্ট ২৭-৩১ আগস্ট মিরপুরে। সাব্বির চান পারফম করতে আর দুই ম্যাচেই দলের জয় দেখতে, ‘ চেষ্টা করবো ভালো খেলার। অস্ট্রেলিয়ার সাথে দুইটা ম্যাচেই যেন ভাল পারফম করতে পারি। যদি ভাল খেলত পারি জিতব ইনশা আল্লাহ।’
চট্টগ্রামে এক সপ্তাহের ক্যাম্প শেষ করেছে বাংলাদেশ দল। তিন দিন টানা অনুশীলনের পর একদিন বিশ্র্রাম। অনুশীলন ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ক্যাম্প। প্রথম দুই দিন বৃষ্টি বাধা পেরিয়ে তামিম-মুশফিকদের দল খেলেছে ১২২ ওভার। দুই দলই খেলতে পেরেছে একটি করে ইনিংস। তৃতীয় দিনের খেলা ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। ভেজা মাঠে দুপুরের পর মাঠে নেমে ক্রিকেটাররা খেললেন ফুটবল।
অস্ট্রেলিয়ার সিরিজের আগে চট্টগ্রাম পর্বে কেমন অনুশীলন হল? সাব্বির জানালেন, ‘যেটার জন্য এসেছিলাম… ব্যাটসম্যানরা ব্যাটিং করবে, বোলারররা বোলিং করবে। সেটার ৭০-৮০ ভাগ হয়ে গেছে। তিন দিন অনুশীলন, একদিন বিশ্রামের পর ম্যাচ খেললাম। কন্ডিশন অনুযায়ী যেরকম খেলা দরকার সেটা খেলা হয়ে গেছে। ৮০ ভাগ কাজ আমরা করতে পেরেছি। বাকি ২০ ভাগ হয়নি বৃষ্টির কারণে। এটির ওপর তো কারও হাত নেই।’









