নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশে খেলতে আসেননি। কিন্তু ইংল্যান্ড নিরাপদে সিরিজ খেলে গেছে। সাবেক ও গণমাধ্যমে পরে ফিসফাস শুরু হয়েছিল পলায়নপর অধিনায়ক ওয়েন মরগানকে অব্যাহতি দেওয়ার। কিন্তু ইসিবি সেটা করেনি। সিদ্ধান্তটা যেহেতু নেওয়ার সুযোগ বোর্ডই দিয়েছিল, তাই বাংলাদেশ সফরের পর আবারো মরগানের কাঁধেই তুলে দেয়া হয় ইংলিশ ওয়ানডে দলের নেতৃত্বের ভার। সেই মরগান শুক্রবার রাতে একটি জায়গায় ছাড়িয়ে গেলেন অ্যান্ড্রু স্ট্র্যাউস ও অ্যালিস্টার কুককে। তাতে ৪৫ রানের দারুণ এক জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে ইংল্যান্ড।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়েছিল ইংল্যান্ড। যাতে সেঞ্চুরি করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মরগান। খেলেছেন ১০৭ রানের ঝলমলে ইনিংস। সেটিই স্ট্র্যাউস ও কুকের ওপরে বসিয়ে দিয়েছে তাকে।
ইংলিশ অধিনায়ক হিসেবে মরগানের ওয়ানডে সেঞ্চুরি এখন ৫টি। স্ট্র্যাউস ও কুক ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময়ে ৪টি করে ওয়ানডে সেঞ্চুরি করে এতদিন ওপরে ছিলেন।
মরগান ১১ চার ও ২ ছয়ে শুক্রবার রাতের শতকটি সাজিয়েছেন। ওয়ানডেতে দশম সেঞ্চুরি তার। প্রথমে স্যাম বিলিংসের (৫২) সঙ্গে ৬৭, পরে বেন স্টোকসের (৫৫) সঙ্গে (১১০) ও আর মঈন আলির (৩১) সঙ্গে ৫৩ রানের আরেকটি জুটি গড়ে স্বাগতিকদের জন্য লক্ষ্যটা কঠিন করে তোলেন তিনি।
পরে রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাঝে শাই হোপকে (৩১) নিয়ে ৬৯ ও জোনাথন কার্টারকে (৫২) নিয়ে ৮২ রানের জুটি গড়ে চেষ্টা চালিয়েছিলেন জেসন মোহাম্মদ। কিন্তু ব্যক্তিগত ৭২ রানের মাথায় তিনি রান আউট হয়ে ফিরে গেলে ক্যারিবীয়দের স্বপ্নও ফিকে হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৪৭.২ ওভারে ২৫১ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে জ্বলে উঠেছিলেন ক্রিস ওকস ও লিয়াম প্লাঙ্কেট। দুজনেই ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচ সেরা সেঞ্চুরিয়ান মরগান।









