বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এর সোলার ‘সূর্যবাতি’ প্রকল্প থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে একদিকে তাদের যেমন আয়ের পথ সৃষ্টি হবে তেমনি সমাজে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে মনে করছে আইএফসি।
‘আলো বদলান ভবিষ্যৎ বদলাবে’-এ শ্লোগানে উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রামে প্রথম ‘লাইটিং বাংলাদেশ’ সোলার ‘সূর্যবাতি’ প্রকল্প থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)। প্রশিক্ষণে সূর্যবাতি ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
যেসব বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই সেখানে নিজেরাই সূর্যবাতি কিনে ভাড়া দিতে চান ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। এরই মধ্যে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে অর্ডার পেয়েছে আইএফসি।
কয়েকজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বলেন, গ্রামাঞ্চলে যে অতি দরিদ্র তারা তো কিনতে পাবে না। আমি কিনে তাদের ভাড়া দিতে পারবো। শিক্ষা থেকে শুরু করে সকল কাজেই এটা কাজে লাগবে। এবং ব্যাপক একটা চাহিদা পূরণ করবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১০ টাকা ভাড়া হিসেবে নিয়েও আয় করা যায়।
সূর্যবাতি নিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির নানা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে আইএফসি।
ক্লিন এনার্জি এন্ড রিসোর্স কনসালটেন্ট সালমান জহির বলেন, অনেক এলাকাই আমরা দেখতে পাই যেখানে বিদ্যুত নেই এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কম। দেখা যায় তারা অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে কেরোসিনের টাকা খরচ করছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। কিন্তু তারা ৫০০ বা ৭০০ টাকা দিয়ে একটা বাতি হয়তো কিনতে পারবে না। এই উদ্যোগে বাতিটা কিনে উদ্যোক্তারা ভাড়া হিসেবে দিলে তাদের জন্য ব্যবহার করা সহজ হবে।
উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে যেখানে এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছেনি সেখানে এ ধরনের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে আইএফসি।







