জয়ন্তি কুমারেশের সরস্বতি বীণা, পণ্ডিত উদয় ভাওয়ালকরের ধ্রুপদ আর বাঁশিতে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখানো পণ্ডিত রনু মজুমদারের সুর মূর্ছনায় বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের দ্বিতীয় দিনে মুগ্ধ দর্শক-শ্রোতারা। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর খেয়ালের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের উৎসব।
পাঁচদিনের উচ্চাঙ্গ সংগীতের দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যা থেকে শেষ রাত কানায় কানায় পূর্ণ ছিলো মূল ভেন্যু। মৃদু শীত ভুলে সুরের আবেশে মুগ্ধ আর্মী স্টেডিয়ামের দর্শক-শ্রোতারা।
বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবে এবারই প্রথমবারেরমতো পরিবেশন করা হয় সরস্বতী বীণা। দ্বিতীয় দিনের এটিই ছিল অন্যতম আকর্ষণ।
ভারতের পদ্মশ্রী আর অল ইন্ডিয়া রেডিও অ্যাওয়ার্ড পাওয়া উপমহাদেশের অন্যতম তবলা বাদক পণ্ডিত সুরেশ তালওয়ালকার একটানা ২ ঘণ্টা পরিবেশন করেন তবলার বোল।
এরপর মঞ্চে আসেন বাঁশির সুরের জাদুর জন্য গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নেওয়া ভারতের পণ্ডিত রণুমজুমদার। বাঁশির সুরমূর্ছনায় মন্ত্রমুগ্ধ দর্শক।
বাংলাদেশের সুরের স্বজনদের জন্য বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের দ্বিতীয় দিন একে একে গান পরিবেশন করেন উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ৯ শিল্পী।






