বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যায় বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘সীমান্তে যাতে একজনও মারা না যায়, সে ব্যাপারে ভারত অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হচ্ছে, সীমান্ত হত্যা ঘটছে।’
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর আবুধাবি সফরসংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের এ উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের নীতি হলো সীমান্তে একজনও যেন মারা না যায়। ভারত এ বিষয়ে একমত হয়েছে, তবে তার পরও হত্যার ঘটনা ঘটছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি ভারতকে জানাব। সীমান্ত হত্যা বন্ধ নিয়ে আমাদের কাছে যে অঙ্গীকার তারা করেছিল, সেটা তাদের পূরণ করতে বলব।’
প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশটির রাজধানী আবুধাবিতে ‘আবুধাবি সাসটেইনেবল উইক’, ‘জায়েদ সাসটেইনেবল অ্যাওয়ার্ড সিরিমনি’ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে অংশ নেবেন। আরব আমিরাত সফর শেষে ১৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে আসবেন বলেও জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মধ্যেপ্রাচ্যে বাণিজ্য, জনশক্তি বাড়াতে চাই। বিশেষ করে মধ্যেপ্রাচ্য থেকে রাজস্ব সবচেয়ে বেশি আসছে। এ রাজস্ব ১৮ বিলিয়ন ডলার পার হবে বলে আশা করি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে ৬ বছর পর সংযুক্ত আরব আমিরাত জনশক্তি বাজার খুলে দিয়েছে।
অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘রাইসিনা সংলাপে’ অংশ নিতে নয়াদিল্লি সফর প্রতিমন্ত্রী বাতিল করেছেন বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া একটু বেশি করে। কাশ্মীরের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে ভিসা না দেওয়ার যে খবর ভারতীয় মিডিয়ায় ছেপেছে তা মিথ্যা বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।










