ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং আহমেদুর রশীদ টুটুল ও তার দুই বন্ধুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা চেষ্টাকারী দুর্বৃত্তদের এখনো সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। আশপাশের বাড়ি ও রাস্তা থেকে সংগৃহিত সিসিটিভির ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাদের সনাক্তের চেষ্টা করছেন তারা।
লালমাটিয়ার সি ব্লকের ৮ বাই ৩ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলায় নিজ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে শনিবার বিকালে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হন আহমেদুর রশীদ টুটুল, তার বন্ধু কবি রণদীপম বসু এবং তারেক রহিম।
ঘটনার পরপরেই তিন দুর্বৃত্ত বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়।
ঘটনা তদন্তে থানা পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে গোয়েন্দারা। সকালে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দু’টি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়।
তারা আশপাশের বাড়িতে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেন। কথা বলেন প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে। তবে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি তারা।
ওই বাড়ির অন্যান্য বাসিন্দা এবং প্রতিবেশীদের মতে বাড়িতে কোন দাড়োয়ান না থাকায় ঘটনাটি বুঝে উঠার আগেই পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন কোচিং সেন্টার থাকার কারণে কখন কে আসে যায় তা নির্ণয় করা যায় না। বাসার গেট সব সময়ই খোলা থাকে বলে জানায় স্থানীয়রা।
শনিবার রাতে আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশ ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। জামায়াত, আনাসারুল্লাহ বাংলা, আনসারুল ইসলাম সবই একইসূত্রে গাঁথা। স্বাধীনতাবিরোধী চক্রই হত্যাকাণ্ড গুলির সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি। পুলিশ বলছে, কেউ মামলা না দিতে না এলে নিজেরাই বাদি হয়ে মামলা রেকর্ড করবেন।






