জঙ্গি সংগঠন আইএস নির্মূলে যুক্তরাজ্য সিরিয়ায় বিমান হামলা করবে কিনা, সে বিষয়ে ভোট হবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। বুধবার ১০ ঘণ্টাব্যাপী বিতর্ক ও আলোচনার পর পার্লামেন্টের হাউজ অব কমন্সে তার ওপর ভোট হবে।
প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন আইএসকে ব্রিটেনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করেন। অন্যদিকে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বোমা হামলার বিরোধিতা করলেও দলের এমপিদের ভোটে অংশ নিতে বলেছেন।
করবিনের দলের প্রায় ৫০ এমপি এখনই সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত। এছাড়াও ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির এমপিরাও সরকারকে সমর্থন করছেন। সুতরাং সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর ভোটে ক্যামেরন জিতবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।
তবে কনজারভেটিভ দলের এমপিদের কেউ কেউ বোমা হামলার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
ক্যামেরন বলেছেন, কনজারভেটিভ এমপিরা বিমান হামলার বিরুদ্ধে ভোট দিলে সিরিয়ায় ইতোমধ্যে অভিযান চালানো যুক্তরাজ্যের মিত্র যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও রাশিয়া ভাবতে পারে যুক্তরাজ্য তাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। এতে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
প্যারিসে হামলার পর থেকে যুক্তরাজ্যেও একই ধরণের ভয়াবহ হামলার আশঙ্কা করে আসছে ব্রিটিশ সরকার। এজন্য সম্ভাব্য সব ধরণের সতর্ক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে দেশটি। তারপরও জনমনে ভয় বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার লন্ডনে বিবিসি সদর দপ্তরের সম্প্রচার ভবনের ভেতর ‘সন্দেহজনক গাড়ি’র উপস্থিতিকে গাড়ি বোমা মনে করে বিবিসি কার্যালয়সহ আশপাশের ভবনগুলো থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর পেছনেও দায়ী আইএস ভীতি।






