সিরিয়ার একটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর দেশটিতে আরও সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিবিসি জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘেও তুমুল বিতর্ক হয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেছেন, তার দেশ কখনোই রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার মেনে নেবে না। কেননা রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তৃতি থামানো যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘অপরিহার্য স্বার্থ’।
সিরীয় সরকারের মিত্রদেশ রাশিয়া অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র তার একপক্ষীয় সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের উৎসাহ দিচ্ছে বলে অভিযোগ জানায় ওই বৈঠকে। সিরিয়ার অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ডিফেন্স বা বিমান হামলা প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলার অঙ্গীকারও করে রাশিয়া।

অন্যদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভ মানোশিন বলেছেন, সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরও কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যাপারে তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সিরিয়ার স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে বিমান ঘাঁটিতে চালানো ওই মিসাইল হামলায় কমপক্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে বলে জানায় বিবিসি। মঙ্গলবারের রাসায়নিক হামলাটি ওই বিমান ঘাঁটি থেকেই চালানো হয়েছিল বলে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি।

ইদলিব প্রদেশের বিরোধী দল পরিচালিত স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, খান শাইখুন শহরে রাসায়নিক হামলায় ৮৯ জন বেসামরিক মানুষ মারা গেছে। তাদের মধ্যে ৩৩ জন শিশু ও ১৮ জন নারী। যুক্তরাষ্ট্র হামলার জন্য সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সরকারকে দায়ী করলেও সরকার বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহারের দাবি অস্বীকার করেছে।







