বাংলাদেশ-সাউথ আফ্রিকা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অতি সহজেই জয় পেয়েছে সফরকারী প্রোটিয়ারা। বৃষ্টি বিঘ্নতার কারণে ৪০ ওভারে নেমে আসা খেলায় টাইগারদের ছুড়ে দেয়া ১৬১ রানের ছোট লক্ষ্যে ৮ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছায় তারা। মাত্র ৩১.১ ওভার ব্যাট করে ফাফ ডু প্লেসিসের অর্ধশতকের সুবাদে পাওয়া সহজ জয়ে সিরিজে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো অতিথিরা।
ফাফ ডু প্লেসিসের ৭৫ বলে ৬৩, রিলি রোসোর ৫৩ বলে ৪৫ এবং কুইন্টন ডি ককের ৪১ বলে ৩৫ রান সহজ করে দেয় প্রোটিয়াদের জয়। উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাট করতে নামা হাশিম আমলাকে ব্যক্তিগত ১৪ রানে এবং কুইন্টন ডি কককে ৩৫ রানের আউট করা ছাড়া টাইগার বোলারদের আর কোনো সাফল্য ছিলো না। আমলাকে মাহমুদুল্লাহ’এর হাতে ক্যাচ আউট করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং কুইন্টন ডি কককে সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নাসির হোসেন।
পরে ফাফ ডু প্লেসিসকে সঙ্গ দিতে এখন মাঠে নামেন রিলি রোসো। এই জুটি শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দেয়।
এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়াদের সামনে ১৬১ রানের ‘অসহায়’ লক্ষ্য ছুড়ে দেয় টাইগাররা।
সাউথ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমেই হ্যাটট্রিকসহ কাগিসো রাবাদার ৬ উইকেট শিকারে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ টিম। সাউথ আফ্রিকার বোলিং তোপে বৃষ্টি বিঘ্নতার কারনে ১০ ওভার কমে আসা ম্যাচেও পুরো ওভার খেলতে ব্যর্থ হয় টাইগাররা। অভিষেকে ১৬ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন রাবাদা।
৪০ ওভারে নেমে আসা খেলায় ৩৬.৩ ওভার খেলেই দলের শেষ উইকেট হিসেবে ক্রিস মরিসের বলে ৩১ রান করে আউট হন নাসির হোসেন।
টাইগারদের পক্ষে সাকিব আল হাসানের ৪৮ রান ছাড়া আর কোন টাইগার ব্যাটসম্যানই ব্যক্তিগত ৩১ রানের সীমা ছাড়াতে পারেন নি। টাইগার ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন সৌম্য সরকার। মুশফিক ২৪, নাসির ১৬ রান ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌছাতে পারেন নি কোন ব্যাটসম্যান।
অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের দেখা পাওয়া কাগিসো রাবাদার ৬ উইকেট ছাড়াও ক্রিস মরিস ২টি , জেপি ডুমিনি এবং ইমরান তাহির একটি করে উইকেট লাভ করেন। ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন কাগিসো রাবাদা।







