মোহাম্মদ সিরাজ, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ সামি- একেকবার একেকজন হয়ে উঠলের ত্রাতা। ভারতের প্রেসত্রয়ীর তোপের মুখে নিয়মিত উইকেট হারাল ইংল্যান্ড। শুধু অপ্রতিরোধ্য থাকলেন জো রুট। তার অপরাজিত ১৮০ রানের ক্যাপ্টেন্স নকে লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা।
লর্ডসে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ৩৯১ রানে থেমেছে ইংল্যান্ড। আগে প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে অলআউট করেছে তারা ভারতকে। তাতে এই ইনিংস থেকে ২৭ রানের লিড আদায় করে নিয়েছে ইংলিশরা।
সিরাজ ৪টি, ইশান্ত ৩টি ও সামি ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ইংলিশদের বাকি উইকেটটি রানআউট।
ররি বার্নস আগেরদিনই ৫৪ করে গেছেন। তৃতীয় দিন শুরু করেছিলেন রুট ও জনি বেয়ারস্টো। অধিনায়কের সাথে উইকেটে জমে যাওয়া বেয়ারস্টো ৫৭ রানে ফিরে যান। বাকিদের মধ্যে জস বাটলার ২৩ ও মঈন আলির ২৭ রান বলার মতো।
অপ্রতিরোধ্য রুট এদিন যেন চীনের প্রাচীর হয়ে উঠেছিলেন। সঙ্গীর অভাবে দ্বিশতকে যেতে পারেননি। অপরাজিত থাকেন ১৮০ রানে। ১৮ চারে ৩২১ বলের ইনিংস। পথে ছুঁয়েছেন ৯ হাজার টেস্ট রানের মাইলফলক ও হরেক রেকর্ড।
অ্যালিস্টার কুকের পর ইংলিশদের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে নয় হাজারি ক্লাবে পা রাখলেন রুট। তার আগে দিনের শুরুর দিকে গ্রাহাম গুচকে (৮,৯০০ রান) টপকে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন।
টেস্টে এটি রুটের ২২তম সেঞ্চুরি। কুক (৩৩) ও কেভিন পিটারসেনের (২৩) পর এখন ইংল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান তিনি। কুকের মতো ১১বার ১৫০ বা ততোধিক রানের ইনিংসের মালিকও হয়েছেন রুট।
শচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড় ও কুকের পর ইংল্যান্ড-ভারতের মধ্যকার লড়াইয়ে মাত্র চতুর্থ ক্রিকেটার রুট, যার ৭টি সেঞ্চুরি হল এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। ভারতের বিপক্ষে এটি ইংল্যান্ড অধিনায়কের সপ্তম সাদা পোশাকে শতক।
চলতি বছরে রুট পাঁচটি টেস্ট সেঞ্চুরি করে ফেললেন। ইংল্যান্ডের প্রথম কোনো অধিনায়ক হিসেবে একবছরে এতগুলো শতকের কীর্তি গড়লেন তিনি। বেল ২০১১ সালে ৫টি শতক করেছিলেন, রুটের সুযোগ তাকেও ছাপিয়ে যাওয়ার।
কুকের পর দ্বিতীয় ইংলিশ ও ইতিহাসের সপ্তম ক্রিকেটার হিসেবে ভারতের বিপক্ষে দুই হাজার টেস্ট রানের ক্লাবে পা রাখলেন রুট। সেটি আবার নয় হাজারে দ্রুততম হিসেবে প্রবেশের দিনে। দিনের হিসেবে ৮ বছর ২৪৪ দিনে নয় হাজারে ঢুকলেন রুট, কুকের লেগেছিল ৯ বছর ৯৩ দিন।








