সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামিকাল মঙ্গলবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো.খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির পর আদালত আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। শুনানিতে এই আইনজীবী আদালতে বলেন, ‘৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু পঞ্জিকা অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি সকাল ৯ টা ১৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি সকাল ১১টা পর্যন্ত সরস্বতী পূজার আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে।
আর ৩০ জানুয়ারি পঞ্চমীর আগে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া যায় না। তাই আমরা চাই নির্বাচনের তারিখটা পরিবর্তন করতে। কারণ এই পূজাটি দেশের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হয়ে থাকে। আর ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন হলে এর কয়েক দিন আগে থেকেই ভোটের কার্যক্রম শুরু হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। যাতে পূজা পালনে বিঘ্ন ঘটবে বা পূজার আচার-আনুষ্ঠানিকতা বাধাগ্রস্ত হবে।
তবে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম আদালতকে বলেন, অনেক দিক বিবেচনা করে নির্বাচনের তারিখটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ২ তারিখ থেকে আবার এসএসসি পরিক্ষা আছে।
এসময় আদালত জানতে চান পূজা উপলক্ষে স্কুল বন্ধ কবে? জবাবে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মিজানুর রহমান বলেন ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ তারিখ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপর আদালত জানতে চান পূজা উপলক্ষে সুপ্রিমকোর্ট বন্ধ কবে? জবাবে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী বলেন ২৯ তারিখ। এরপর আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামিকাল দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণের জন্য ৩০ জানুয়ারি তারিখ ঘোষণা করেন। তবে ঘোষিত তারিখ ৩০ জানুয়ারি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজার আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি করেন।








