এবারও ‘সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ পুরস্কার পাচ্ছেন ৮ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। মঙ্গলবার চ্যানেল আই কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদ ৮ জনকে মনোনীত করেছেন। তারা মনে করছেন দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎসাহী করছে এ পুরস্কার।
ব্যাংক এনজিও অথবা বিভিন্ন সংস্থা থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে অনেকেই সাবলম্বী হচ্ছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে ভূমিকা রাখছে অর্থনৈতিক উন্নয়নে। ২০০৬ সাল থেকে এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎসাহী করতে দেয়া হচ্ছে সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার। এবার ১১তম বারের মতো ৮ জনকে দেয়া হচ্ছে এই পুরস্কার। চ্যানেল আই কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদ বাছাই করেছেন সেই আট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে।
অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির বাইরে সবচেয়ে বড় খাত হলো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাত। আমরা তৈরি পোশাক শিল্পের কথা জানি, বিদেশ থেকে শ্রমিকদের পাঠানো অর্থের কথা জানি। কিন্তু জিডিপিতে কৃষির বাইরে সবচেয়ে বড় অংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা শ্রেণীর।’
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, হয়তো এখানে সবাই পুরস্কার পাবেন না। কিন্তু যারা পুরস্কার পাবেন না তারাও এই পর্যন্ত আসার কারণে কাজের পরিচিতি ও স্বীকৃতি পাবেন। সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কারের আয়োজনকে একটি ভালো উদ্যোগ বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। কারণ এটি দেখে আরও অনেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হতে উৎসাহী হবেন এবং যারা পুরস্কার পাচ্ছেন তারা নিজেদের কাজকে আরও
এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
এবার শ্রেষ্ঠ কৃষি উদ্যোক্তা ২ জন, শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা ২ জন, বছরের শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা ২ জন আর বছরের শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং বছরের শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান – এই ৫ টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হবে। এভাবেই উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে আসছে সিটি ফাউন্ডেশন। উদ্যোক্তাদের ইতিবাচক পরিবর্তনেই সাফল্য দেখছেন তারা।
সিটি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদ মাকসুদ বলেন, ‘এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বর্তমানে বাৎসরিক বিক্রি প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি চলে গেছে। আমরা যখন ১০ বছর আগে শুরু করেছিলাম তখন
এটি ছিল মাত্র ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। এই ১০ বছরে যে তারা কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, একেই আমরা আমাদের সব থেকে বড় সাফল্য মনে করি।
আগামী ২১ মে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই ৮ জন উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করা হবে।









