রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রেজাউল করিমের হত্যার ১১ দিন
পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি না থাকায় ক্যাম্পাসে মহাসমাবেশ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ইংরেজি বিভাগের কর্মসূচির পাশাপাশি মঙ্গলবার মহাসমাবেশে যোগ
দেয় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন এবং অন্যান্য
বিভাগ।
রেজাউল করিম হত্যার দিন থেকেই ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে মানববন্ধন, সমাবেশ, কফিন মিছিল, কালোব্যাজ ধারণসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। তবে মঙ্গলবার মহাসমাবেশ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেয় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, খুনিদের না ধরার কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসসহ সারাদেশে যতো হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তার সবগুলোরই বিচার চান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাসুদ আক্তার বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর আস্থা রেখে আমরা বলতে চাই, দীর্ঘসূত্রতায় না গিয়ে তারা যেন তদন্তের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের সনাক্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করেন।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিনেট পাশে প্যারিসরোডে মহাসমাবেশে শিক্ষকদের সাথে যোগ দেয় বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে তিনিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাকসুদুল কামাল বলেন, এই হত্যাকাণ্ডটিও যেন দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে না যায়। খুনি যেই হোক তাকে যেন বিচারের সম্মুখীন করা হয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে যারা আছেন তাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলছি যে, অবশ্যই এর একটা সুরাহা করতে হবে। যারা এর সাথে জড়িত তাদের ধরলে হবে না, তাদের মূল উৎপাটন করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত এক যুগে চার জন শিক্ষক হত্যার শিকার হয়েছেন। চারজনই ছিলেন প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী।






