গ্রুপ ‘বি’ থেকে একটি দল নিশ্চিত থাকলেও, গ্রুপ ‘সি’ থেকে কোন দুটি দল পরবর্তী রাউন্ডে যাবে একমাত্র শেষ রাউন্ডের পরই জানার উপায় ছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঘরের মাঠে নাপোলির বিপক্ষে জয় পেয়েছে লিভারপুল। সেটা দলের তারকা খেলোয়াড় মোহামেদ সালাহ’র বীরত্বে।
মাঠে নামার আগে হিসাব ছিল, ১-০ গোলে জিতলেই নকআউটের টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা, তবে কোনোভাবেই গোল হজম করা যাবে না। শেষ পর্যন্ত সেটাই করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি। প্রথমার্ধে সালাহ’র করা গোলই ব্যবধান গড়ে দেয়।
ম্যাচে লিভারপুল জয় পেলেও পজেশনাল ফুটবলে দাপিয়েছে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সাবেক দল। সংযোজিত সময়ে প্রায় গোলও পেয়ে গিয়েছিলেন নাপোলির মিলিচ। কিন্তু বিপদ থেকে দলকে রক্ষা করেন লিভারপুল গোলকিপার অ্যালিসন বেকার। ফলে দ্বিতীয় দল হিসাবে পরিবর্তী রাউন্ডে লিভারপুল।
এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন দল হিসাবে পরবর্তী রাউন্ডে প্যারিস সাঁ সাঁ। অ্যাওয়ে ম্যাচে তারা হেলায় হারিয়েছে রেডস্টার বেলগ্রেডকে। দলের হয়ে গোল পেয়েছেন তিন মহারথীই। অর্থাৎ- নেইমার, কাইলিয়ান এমবাপে এবং এডিনসন কাভানি। একটি গোল হজম করে চার গোল করে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।
ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে নেইমার খেলতে পারবেন কিনা সেটা নিশ্চিত ছিল না। শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেন। ১০ মিনিটের সময় দলকে প্রথমে এগিয়ে দেন কাভানি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। এই নিয়ে পিএসজির জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৬ গোলে অবদান রাখলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। নিজে ১১ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করান পাঁচটি।
দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১৫ মিনিট পিএসজির আক্রমণ ঝড় প্রায় একাই সামলেছেন প্রতিপক্ষ গোলকিপার। কিন্তু ৫৬ মিনিটে মারকুইনোসকে আর আটকাতে পারেননি। শেষ আধাঘন্টায় ব্যবধান ৩-০ থেকে ৩-১ করলেও শেষ মুহূর্তে এমবাপের গোলে মিশন পূর্ণ করে থমাস টুখেল বাহিনী।
এছাড়া গ্রুপ ‘এ’ থেকে দ্বিতীয় রাউন্ডে গেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ক্লাব ব্রুজের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ডিয়েগো সিমিওনের দল। আর ফরাসি ক্লাব মোনাকোকে ২-০ হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত করে জার্মান ক্লাব ডর্টমুন্ড।
গ্রুপ ডি থেকে দ্বিতীয় রাউন্ডে গেছে এফসি পোর্তো এবং শালকে জিরোফোর। তুর্কি ক্লাব গ্যালতাসারেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তো। আর রাশিয়ান লোকোটিভ মস্কোকে ১-০ গোলে হারায় জার্মান শালকে।







